ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

মনের জোরে ভোটের মাঠে বৃদ্ধা ছালেহা

জেলা প্রতিনিধি | ব্রাহ্মণবাড়িয়া | প্রকাশিত: ০১:৪৫ পিএম, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ছালেহা বেগমের বয়স ৭০ এর কাছাকাছি। শরীরে আগের মতো জোর নেই। কিন্তু মনের জোর এখনও অটুট আছে। আর সেই জোর থেকেই ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন তিনি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে লড়তে যাচ্ছেন ছালেহা। যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান।

রোববার বেলা ১১টায় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে বৃদ্ধা ছালেহা বেগমের সঙ্গে কথা হয় জাগো নিউজের এ প্রতিবেদকের। প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে অংশ নিতে নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে একাই এসেছেন তিনি। এই বয়সে প্রার্থী হওয়ার কারণ জানতে চাইলে রেগে যান তিনি। বলেন- বয়স কোনো ব্যাপার না।

ছালেহা বেগম নবীনগর উপজেলার আলিয়াবাদ গ্রামের মৃত মিধন মিয়ার স্ত্রী। তিন ছেলের সবাই থাকেন প্রবাসে আর একমাত্র মেয়ে বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন আগেই। বর্তমানে একাই দিন কাটে ছালেহা বেগমের।

ছালেহা বেগম জানান, পৌরসভা হওয়ার আগে তিনি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের দুইবারের সদস্য ছিলেন। এবার তিনি পৌরসভা নির্বাচনে সংরক্ষিত ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছেন।

Saleha-Begum-1

তিনি বলেন, ইউপি সদস্য থাকার সময় এলাকায় অনেক কাজ করেছি। প্রার্থী হওয়ার জন্য বয়স কোনো ব্যাপার না। মানুষের সমর্থন নিয়ে যদি নির্বাচিত হই তাহলে আবারও এলাকার উন্নয়নে কাজ করব।

এ ব্যাপারে নবীনগর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও পৌরসভা নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ২৫ বছরের ঊর্ধ্বে যে কেউ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন। উনি জনগণের সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আগামী ১৪ অক্টোবর নবীনগর পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মেয়র, সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ৯০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলবে বলে জানা গেছে। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে।

আজিজুল সঞ্চয়/আরএআর/পিআর