ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

৬০০ অবৈধ গ্যাসের লাইন, ৫ কোটি টাকা বিল বকেয়া

শ্রীপুর (গাজীপুর) | প্রকাশিত: ০৯:৩৭ পিএম, ০৩ অক্টোবর ২০১৯

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার দক্ষিণ ভাংনাহাটি এলাকায় অবস্থিত ইউনিলিয়্যান্স টেক্সটাইল কারখানার পাঁচ কোটি ১৪ লাখ টাকার গ্যাস বিল বকেয়া থাকায় গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ওই এলাকার প্রায় দুই শতাধিক বাসাবাড়ির ৬০০ অবৈধ লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে এসব লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ সময় তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তাসহ গাজীপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ছিলেন।

তিতাস গ্যাস গাজীপুর অফিসের ব্যবস্থাপক অজিত চন্দ্র দেব বলেন, শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া এলাকায় বাসাবাড়িতে গ্যাস লাইন সংযোগ দেয়ার মতো নিম্নচাপের গ্যাস লাইন নেই। কিছু অসাধু লোকজন উচ্চচাপসম্পন্ন বিভিন্ন কারখানার গ্যাস লাইন থেকে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বাসাবাড়িতে গ্যাস সংযোগ দিয়েছে, যা খুবই বিপজ্জনক। যেকোনো সময় এসব লাইন থেকে দুর্ঘটনা ঘটে যানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

SRiPUR(GAZiPUR)--TiTAS--(3)

এ অবস্থায় গাজীপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থান্দার কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে তিতাস গ্যাস গাজীপুর অফিসের একটি দল শ্রীপুরের কেওয়া ও ভাংনাহাটি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় কেওয়া দক্ষিণ খণ্ড ফখরুদ্দিন মোড় এলাকার চারটি পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে প্রায় চার কিলোমিটার এলাকার দুই শতাধিক বাসাবাড়ির ছয় শতাধিক চুলার লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়। অভিযানের খবর পেয়ে অবৈধ সংযোগ প্রদানকারীরা পালিয়ে যায়।

একই সময় উপজেলার দক্ষিণ ভাংনাহাটি এলাকায় অবস্থিত ইউনিলিয়্যান্স টেক্সটাইল কারখানার পাঁচ কোটি ১৪ লাখ টাকার গ্যাস বিল বকেয়া থাকায় কারখানাটির গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়।

জানা যায়, কারখানা কর্তৃপক্ষ ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত বিল পরিশোধ করেনি। তিতাস কর্তৃপক্ষ কয়েকবার লাইন বিচ্ছিন্ন করতে গেলেও বাধার মুখে ফিরে আসে। বিল পরিশোধ না করে সময়ক্ষেপণ ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় উচ্চ মহলের মাধ্যমে সুপারিশ করে কিস্তি সুবিধা নিয়ে বিপুল পরিমাণ বকেয়া বিল জমা রাখে তারা।

অভিযান পরিচালনার সময় তিতাস গ্যাস গাজীপুর অফিসের ব্যবস্থাপক অজিত চন্দ্র দেবসহ উপব্যবস্থাপক শবিউল আউয়াল, আবু সুফিয়ান, আলিম রাসেল, মোশাররফ হোসেন, সহ-ব্যবস্থাপক রেজাউল হক, উপসহকারী প্রকৌশলী সাবিনুর রহমান, বিক্রয় সহকারী আনোয়ার হোসেন ও আবু কায়সারসহ কারিগরি দল উপস্থিত ছিলেন।

শিহাব খান/এএম/এমকেএইচ