ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে বেনাপোল, সূর্যের দেখা নেই

বেনাপোল (যশোর) | প্রকাশিত: ০৬:২৫ পিএম, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯

ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে স্থলবন্দর বেনাপোলের মানুষ। শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বন্দরে পণ্য লোড-আনলোড করতে হিমশিম খাচ্ছেন শ্রমিকরা।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী দুদিনের মধ্যে কমে আসবে শীতের দাপট। শৈত্যপ্রবাহ কেটে যাওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। এমনকি মাঝখানে একদিন তাপমাত্রা খানিকটা উপরে উঠেছিল। কিন্তু একদিনের ব্যবধানে পাল্টে গেল চিত্র। প্রতিদিনই তাপমাত্রা ওঠানামা করছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৮ ডিসেম্বর থেকে শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করে। প্রথম দিকে শুধু শীত পড়তে শুরু করলেও পরের দিকে উত্তরের হিমেল বাতাস বইতে থাকে। কাঁপন ধরানো হিমেল বাতাসের সঙ্গে কুয়াশা ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এতে করে প্রতিদিনই সকাল থেকে মেঘে ঢাকা থাকছে সূর্য।

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার পর সূর্যের দেখা মিললেও রোদের তেমন তাপ ছিল না। বিকেল গড়াতে রোদ কমতে থাকায় সন্ধ্যায় শুরু হয় শীতের দাপট। সেই সঙ্গে তাপমাত্রা অনেক নিচে নেমে যায়।

Benapole-Shit-(2)

শীতের তীব্রতায় ফুটপাতের দোকানে কাপড় কিনতে ভিড়

এদিকে, টানা কয়েক দিনের শীতে কাবু হয়ে পড়েছে বেনাপোল স্থলবন্দরে জনজীবন। বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। মাঠে থাকা ফসলের জন্য বিপদ ডেকে এনেছে শৈত্যপ্রবাহ।

স্থানীয়রা বলছেন, পৌষের গায়ে কাঁপন ধরানো এই শীত অসহনীয় হয়ে উঠেছে। শীত সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। গরম কাপড়েও প্রশমিত হচ্ছে না শীত। ঘন কুয়াশা আর শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতায় ফুটপাতের দোকানগুলোতে বসা স্বল্প মূল্যের পুরাতন কাপড় কেনার জন্য ভিড় জমাচ্ছেন শীতার্ত মানুষ। নিজেদের সাধ্যমতো কিনছেন শীতবস্ত্র। গরম কাপড়ের অভাবে যেন শীতের সময় সন্তানরা কষ্ট না পান তাই অল্প টাকা দিয়ে পোশাক কিনছেন।

শীতবস্ত্র কিনতে আসা ইদ্রিস আলী বলেন, তিনদিন থেকে সূর্যের দেখা নেই। কোনো কাজকর্ম নেই। সারাদিন বাসায় থাকতে হয়। এজন্য শীত নিবারণের জন্য কম দামে গরম কাপড় কিনতে এসেছি।

ফুটপাতের দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতারাই বেশি। তবে সেই সঙ্গে ভ্যানচালক, রিকশাচালক, দিনমজুর ও শীতার্ত মানুষরা ফুটপাত থেকে কম দামে শীতবস্ত্র কিনছেন।

জামাল হোসেন/এএম/এমকেএইচ