কবিতা চত্বর থেকে শীর্ষ ছিনতাইকারী আমিনের মরদেহ উদ্ধার
ফাইল ছবি
কক্সবাজার শহরে পর্যটকসহ পথচারীদের ধারাবাহিক ছিনতাইয়ে অভিযুক্ত মুন্না হাসান আমিনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।
বুধবার ভোররাতে কক্সবাজার সৈকতের কবিতা চত্বর এলাকায় তার মরদেহ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের ওসি শাহজাহান কবির। এসময় অস্ত্র, গুলি, ছোরা, কার্তুজ জব্দ হয়েছে এবং মুন্না হাসান তালিকাভুক্ত শীর্ষ ছিনতাইকারি বলেও দাবি করেছেন ওসি।
মুন্না হাসান ওরফে আমিন (২৫) কক্সবাজারের মহেশখালীর শামলাপুর বারিয়াপাড়ার মৃত আবুল বশরের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কক্সবাজার শহরে বাস করছিলেন।
ওসি শাহজাহান কবির জানান, গত ৪ জানুয়ারি শহরের সার্কিট হাউজের সামনে ইমরুল নামে এক কলেজছাত্রের হাত পায়ের রগ কেটে ছিনতায়ের ঘটনা ঘটনায় মুন্না হাসান আমিনসহ তার সঙ্গীরা। এ ঘটনায় মুমূর্ষাবস্থায় ইমরুলকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে পুলিশ ছিনতাইকারীদের ধরতে অভিযানে নামে। এর তিনদিনের মাথায় বুধবার ভোররাতে সৈকতের কবিতা চত্বর এলাকায় অজ্ঞাতনামা লাশের খবর পায় পুলিশ। এসময় ঘটনাস্থল গিয়ে অস্ত্র, গুলি, ছোরা, কার্তুজসহ মরদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে মরদেহটি মোস্ট ওয়ান্টেড ছিনতাইকারী মুন্না হাসানের বলে সনাক্ত হয়।
ওসি আরও জানান, ৪ জানুয়ারি মুন্না হাসান ও তার সঙ্গীয় ছিনতাইকারীরা কলেজছাত্র ইমরুল ও তার ভাইয়ের সঙ্গে একই ইজিবাইকে (টমটম) উঠে। টমটমটি সার্কিট হাউজ এলাকায় পৌঁছালে যাত্রীবেশী তাদের আরেক সহযোগী সিগন্যাল দেয়। এসময় ৪-৫ জন ছিনতাইকারী গাড়িটি আটকে ইমরুলকে উপর্যুপরি হাত ও পায়ে ছুরিঘাত করে। একপর্যায়ে ইমরুল ও তার ভাইয়ের কাছে থাকা মোবাইল ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।
ছিনতাইকারী মুন্না হাসান আমিনের নামে শুধু কক্সবাজার থানায় বিভিন্ন অপরাধে ৪টি মামলা রয়েছে। মহেশখালী ও অন্য থানাতেও তার নামে অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলা রয়েছে বলে খবর পেয়েছি। মরদেহ ও অস্ত্র উদ্ধার ঘটনায় পৃথক আইনে মামলা রুজু করা হছ্ছে বলে উল্লেখ করেন ওসি শাহজাহান কবির।
সায়ীদ আলমগীর/এমএএস/পিআর