‘চাঁদরাতের’ মতো বেচাকেনার পর বাজার এখন ক্রেতাশূন্য
করোনা ভাইরাস আতঙ্কে রাজবাড়ীতে বেড়েছে মাস্কের চাহিদা। সেইসঙ্গে বেড়েছে নৃত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম। তবে বাজার এখন প্রায় ক্রেতাশূন্য। রোববার সকালে রাজবাড়ী রেলগেট ও বড় বাজারে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।
করোনা ভাইরাস আতঙ্কে গত দুদিনে বাজারে সাধারণ জনগণের উপচে পড়া ভিড় থাকলেও আজ রয়েছে উল্টো চিত্র। বাজারে নেই ক্রেতাদের ভিড়।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত দুই দিনে চাঁদরাতের চেয়েও বেশি বেচাকেনা হয়েছে। কিন্তু আজ ক্রেতা নেই। যার প্রয়োজন এক কেজি সে কিনেছে ১০ কেজি এবং যার প্রয়োজন ১ বস্তা সে নিয়েছে ৫ বস্তা। ফলে বাজারে ক্রেতা কমে গেছে।

এছাড়া মোকামে দাম বাড়ার কারণে পেঁয়াজ-রসুনের দাম বাড়লেও আজ আবার দাম কমেছে। তবে চালের দাম প্রকারভেদে ২৫ কেজির প্রতি বস্তায় ৫০ থেকে ১শ টাকা এবং কেজি প্রতি বেড়েছে ৩ থেকে ৫ টাকা।
চাল ব্যবসায়ী মোস্তফা জানান, ভাইরাস আতঙ্কে জনগণ দুদিন অনেক চাল কিনেছে। যার যা প্রয়োজন তার থেকে কয়েকগুন বেশি কিনেছে। এ কারণে বাজারে ক্রেতা নেই। মোকামে দাম বাড়ার কারণে বর্তমানে চালের দাম বেড়েছে।

তবে বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিনই জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতর বাজার মনিটর ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন।
অপরদিকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সাধারণ জনগণের ভিড় বেড়েছে মাস্কের দোকানগুলোতে। ফুটপাথসহ বিভিন্ন দোকানে ২০-৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে মাস্ক। তবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাওয়া যাচ্ছে না কোনো ওষুধের দোকানে। সেইসঙ্গে সংকট দেখা দিয়েছে হ্যান্ড ওয়াসের।
রুবেলুর রহমান/এফএ/পিআর