ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

অর্ধেক মুক্তিপণ পেয়ে শিশুকে নদীতে নিক্ষেপ

জেলা প্রতিনিধি | লক্ষ্মীপুর | প্রকাশিত: ০৭:২৬ পিএম, ০৮ মে ২০২০

লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদী থেকে অপহৃত নারী-শিশুসহ ১১ জনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা ভোলা জেলার যাত্রী ও একই পরিবারের সদস্য। এ ঘটনায় কয়েকজন অপহরণকারী চিহ্নিত হলেও শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

ওই যাত্রীদের আটকে রেখে ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এরমধ্যে ১০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দেওয়া হয়। তারপরও অপহরণকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে এক শিশুকে নদীতে ফেলে দেয়।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে ট্রলারে ভোলা যাওয়ার পথে লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরীর হাট এলাকা থেকে ওই যাত্রীদের অপহরণ করা হয়। যাত্রীরা ভোলা সদর উপজেলা চরকাচিয়া ও ধনিয়া এলাকার বাসিন্দা। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শুক্রবার (৮ মে) সকালে নৌ-পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় অপহৃত যাত্রীরা সাত জনের বিরুদ্ধে মজুচৌধুরীর হাট ঘাটের নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

পুলিশ জানায়, ভোলার বাসিন্দা রুহুল আমিন সহপরিবারে ঢাকায় বসবাস করেন। তার বাবার মৃত্যুর খবরে লক্ষ্মীপুর হয়ে ভোলা যাওয়ার উদ্দেশ্যে তারা মজুচৌধুরীররহাট আসেন। কিন্ত ঘাটে কোনো নৌকা না পেয়ে ভোলায় যোগাযোগ করে একটি ট্রলার মজুচৌধুরীরহাট ঘাটে নিয়ে আসেন। পরে ট্রলারযোগে ভোলা যাওয়ার পথে মাঝনদী থেকে তাদেরকে একদল লোক অপহরণ করে। এ সময় তাদের মারধরও করা হয়। একপর্যায়ে অহরণকারীরা মুক্তিপণ হিসেবে ২০ হাজার টাকা দাবি করে। এরমধ্যে ১০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে দেয়া হয়। বাকি টাকা দিতে না পারায় লামিয়া নামে এক শিশুকে হত্যার উদ্দেশ্যে নদীতে ফেলে দেয় অপহরণকারীরা।

পরে অপহৃত রুহুল আমিন স্থানীয়দের সহযোগিতায় চার অপহরণকারীকে শনাক্ত করে সাতজনের বিরুদ্ধে নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

জানতে চাইলে মজুচৌধুরীরহাট ঘাটের নৌ-পুলিশের ইনচার্জ অচিন্ত কুমার দে বলেন, টহলরত অবস্থায় খবর পেয়ে অপহৃতদের উদ্ধার করা হয়েছে। অপহরণকারীদের আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে অপহরণকারী ৭ জনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কাজল কায়েস/এফএ/পিআর