ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

শিক্ষকের বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর ধর্ষণ মামলা, স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

জেলা প্রতিনিধি | গাইবান্ধা | প্রকাশিত: ০৯:৩৬ পিএম, ১৮ জুন ২০২০

চার লাখ টাকা দাবি করে না পেয়ে গাইবান্ধা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইউনুস আলীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেছে গৃহপরিচারিকা।

মামলার বিষয়টি পরিকল্পিত এবং সাজানো বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষকের স্ত্রী। একই সঙ্গে মামলাটি ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের থানাপাড়ার বাসায় অভিযুক্ত শিক্ষক ইউনুস আলীর স্ত্রী রোকসানা পারভীন সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি করেন।

লিখিত বক্তব্যে রোকসানা পারভীন বলেন, বছর তিনেক আগে দূরসম্পর্কের ভাতিজিকে সুন্দরগঞ্জ থেকে গাইবান্ধা শহরের থানাপাড়ার বাসায় নিয়ে আসি। কথা ছিল মেয়েটি আমার বাড়িতে পাঁচ বছর থাকলে বিয়ের খরচ দেব। কিন্তু সম্প্রতি মেয়েটির আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করি। পরে তার মোবাইল চেক করে দেখি তার দুলাভাই এবং চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে আপত্তিকর কথাবার্তার রেকর্ডিং ও মেসেজ।

এ অবস্থায় ১৪ মে মেয়েটিকে তার বাবার কাছে গ্রামের বাড়িতে রেখে আসি। সেই সঙ্গে তার পরিবারকে বলেছি, উচ্ছৃঙ্খল আচরণের কারণে মেয়েটিকে আমার বাড়িতে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ওই সময় মেয়ের বাবা আমাকে জানান মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করবেন বলেছেন। তখন আমি বলেছি বিয়ের সময় খরচ দেব। এ কথা বলে মেয়েটিকে তার বাবার কাছে রেখে আসি।

রোকসানা পারভীন বলেন, এরই মধ্যে ৪ জুন মেয়ে এবং তার পরিবারকে ফুসলিয়ে মেয়েটির সঙ্গে ইউনুস আলীর অবৈধ সম্পর্ক আছে বলে আমাদের কাছে তিন লাখ টাকা দাবি করেন স্থানীয় যুবক শফিকুল ইসলাম। একই সঙ্গে আরও এক লাখ টাকা বাড়তি দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকার করলে মামলা দেয়া হয়। অবাক করা বিষয় হলো বাবা-মা বেঁচে থাকা সত্ত্বেও মেয়েটির সৎদাদি মালেকা বেওয়াকে দিয়ে সদর থানায় এই মামলা করা হয়।

এর আগে গৃহপরিচারিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক ইউনুস আলীর বিরুদ্ধে সদর থানায় মঙ্গলবার রাতে একটি মামলা করা হয়। গৃহপরিচারিকার সৎদাদি মালেকা বেওয়া বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার বলেন, এ ঘটনায় কিশোরীর দাদি অভিযোগ দিয়েছেন। পরে মামলা রুজু করা হয়। শিক্ষক ইউনুস আলীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। মামলার তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

জাহিদ খন্দকার/এএম/জেআইএম