অবশেষে সংস্কার হচ্ছে মির্জাপুর-ওয়ার্শী-বালিয়া সড়ক
অবশেষে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর-ওয়ার্শী-বালিয়া আঞ্চলিক সড়কের ভাঙা স্থান সংস্কার শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের মির্জাপুর অফিস এ সংস্কারকাজ শুরু করে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) পোষ্টকামুরী এলাকায় গিয়ে সড়কের ভাঙা স্থান সংস্কার করতে দেখা গেছে। এর আগে গতকাল শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ‘উঠে গেছে সড়কের পিচ-খোয়া-কার্পেটিং, প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা’ শিরোনামে জাগো নিউজে সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদটি সড়ক বিভাগ কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। ওই দিনই বিকেলে সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি পরিদর্শনে আসেন এবং সংস্কারের নির্দেশ দেন। মির্জাপুর-ওয়ার্শী-বালিয়া আঞ্চলিক সড়কটি উপজেলার দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির ফসল।
মির্জাপুর-ওয়ার্শী-বালিয়া আঞ্চলিক সড়কের উত্তর রোয়াইল সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে প্রথমে ফাটল ধরে এবং পরে সড়কটি ধসে পড়ে যায়। এতে উপজেলা সদরের সঙ্গে দক্ষিণ মির্জাপুরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। একই সঙ্গে ঢাকা ও মানিকগঞ্জের সঙ্গে মির্জাপুরের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

শুক্রবার বিকেলে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (রক্ষণাবেক্ষণ সার্কেল) আবুল কালাম আজাদ, ময়মনসিংহ জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মইনুল হোসেন, টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি পরিদর্শনে আসেন এবং মেরামতের নির্দেশ দেন। এ সময় সড়ক বিভাগ মির্জাপুর অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. এনামুল কবীর রিপন ও মির্জাপুর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক শামীম আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, ২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মির্জাপুর উপজেলা সদর থেকে ওয়ার্শী হয়ে মানিগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়া পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার পাকা সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এর মধ্যে মির্জাপুর অংশে ৯.১২ কিলোমিটার এবং মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার অংশে ২.৮৮ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। সড়কটির জন্য জমি অধিগ্রহণসহ নির্মাণব্যয় ধরা হয় প্রায় ১১১ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে টাঙ্গাইল ও মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ।
এস এম এরশাদ/এএম/এমকেএইচ