ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বন্যায় টাঙ্গাইলে ১৪২৯ কিলোমিটার সড়কের ক্ষতি

জেলা প্রতিনিধি | টাঙ্গাইল | প্রকাশিত: ০৯:২৭ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

এবারের দীর্ঘমেয়াদী বন্যায় টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগ ও এলজিইডির প্রায় ১ হাজার ৪২৯ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩২০ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।

এর মধ্যে এলজিইডির অধীনে থাকা ১ হাজার ৩৬৯ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের প্রায় ৩২৮টি সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এছাড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের ৬০ কিলোমিটার সড়ক আর ৭টি সেতুর এ্যাপ্রোচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ প্রায় ৬০ কোটি টাকা।

jagonews24

জেলা স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল দপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, এবারের বন্যায় জেলার ১২টি উপজেলার মধ্যে ১১টি উপজেলায় তাদের অধীনে থাকা ৩২৮টি সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ৩৬৯ কিলোমিটার। আর ক্ষয়ক্ষতির অর্থমূল্য ২০৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এছাড়াও ৭৩টি ব্রিজ-কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার অর্থমূল্য ৬১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা প্রায়। সব মিলিয়ে এ দপ্তরের ক্ষতির পরিমাণ ২৬৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা প্রায়।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানায়, জেলায় তাদের অধীনে রয়েছে ৬শ কিলোমিটার। এর মধ্যে বন্যায় ১৪টি সড়কের প্রায় ৬০ কিলোমিটার নষ্ট হয়েছে। এর মধ্যে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ৭টি সড়কের মধ্যে রয়েছে মির্জাপুর-ঊয়ার্শী-বালিয়া সড়ক, আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর সড়ক, কালিহাতী-রতনগঞ্জ-সখিপুর সড়ক, লাউহাটি-দেলদুয়ার-সাটুরিয়া সড়ক, বাউশী-গোপালপুর সড়ক, ডুমুরিয়া-সলিমাবাদ, ভাতকুড়া-বাসাইল-সখিপুর সড়ক। এছাড়া বিভিন্ন উপজেলার ৭টি সেতু ও এ্যাপ্রোচ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

jagonews24

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান বলেন, ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। স্থায়ী মেরামতের জন্য দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া বিভাগীয় মেরামতের মাধ্যমে সাময়িকভাবে যান চলাচল সচল রাখা হয়েছে।

jagonews24

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. গোলাম আজম বলেন, আবহাওয়াগত কারণে প্রতিবছর সড়কের ক্ষতি হয়ে থাকে। প্রতি বছর বন্যা পরবর্তী সময়ে সরকার সড়ক সংস্কারের জন্য বরাদ্দ দিয়ে থাকে। এবারও কিছু বরাদ্দ পাওয়া গেছে। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

আরিফ উর রহমান টগর/এমএএস/এমকেএইচ