EN
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বাগান ফিরে পেতে বন বিভাগের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন উপকারভোগী

উপজেলা প্রতিনিধি | শ্রীপুর (গাজীপুর) | প্রকাশিত: ০৯:৫৭ পিএম, ২৪ নভেম্বর ২০২০

গাজীপুরের শ্রীপুরে কোনো নোটিশ ছাড়াই বন বিভাগের আওতাধীন বাঁশ বাগান অন্য এক ব্যক্তির নামে বরাদ্দ দিয়েছেন কর্মকর্তারা। নিজের নামে বরাদ্দকৃত বাঁশ বাগান ফিরে পেতে প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো সুফল পাচ্ছেন না ভুক্তভোগী মাসুদ ভুঁইয়া। তিনি উপজেলার বরমী ইউনিয়নের সোহাদিয়া গ্রামের মৃত আফতাব উদ্দিন ভুঁইয়ার ছেলে।

ভুক্তভোগী মাসুদ ভুঁইয়া জানান, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার সাতখামাইর বিটের আওতাধীন সৃজিত বাঁশ বাগানে ২০০২-২০০৩ সালে ১ ও ২নং প্লটের উপকারভোগী হিসেবে আগামী ২০৪৩ সাল পর্যন্ত বন বিভাগের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। এর প্রেক্ষিত্রে বাঁশ বাগান পরিচর্যার ১০ বছর পর ২০১২-২০১৩ সালে সরকারি নিয়ম মোতাবেক মাদার ট্রি রেখে পরিপক্ক বাঁশগুলো নিলামে বিক্রিও করা হয়। বিক্রির পর মাদার ট্রি (মা গাছ) পরিচর্যা করে ২০১৮ সালে বাগানে থাকা পরিপক্ক বাঁশ দ্বিতীয় পর্যায়ে কর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করেন।

ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউছুপ ২০১৯ সালের ৫ মার্চ ওই বাঁশ বাগান দ্বিতীয় পর্যায়ে কর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শ্রীপুর রেঞ্জ কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। কিন্তু বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নির্দেশনা পাওয়ার পর শ্রীপুর রেঞ্জ কর্মকর্তারা বাগান কাটতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। সম্প্রতি ওই বাগানটি স্থানীয় কয়েকজন সুবিধাভোগীর মাঝে নিয়ননীতির তোয়াক্কা না করে বরাদ্দ দেন বন কর্মকর্তা।

তিনি আরও জানান, দ্বিতীয় পর্যায়ের বাগান কর্তনের ব্যবস্থা করার জন্য তার অনেক টাকা বিনিয়োগ করতে হয়েছে। অন্যজনের নামে বরাদ্দ দেয়ায় এখন তাকে কয়েক লাখ টাকা রসম্মুখীন হতে হয়েছে। অন্যজনের নামে বরাদ্দ দেয়া আগে তাকে কোনো প্রকার নোটিশও দেয়া হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে বাগানটি ফিরিয়ে দিতে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে দাবি জানিয়েছেন মাসুদ ভুঁইয়া।

এ বিষয়ে বন বিভাগের শ্রীপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিছুল হক জানান, এভাবে কাউকে বাগান বরাদ্দ দেয়ার নিয়ম নেই। তবে কি কারণে এ রকম ঘটলো তা তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান।

শিহাব খান/আরএআর/এমএস