সাবেক দুই চেয়ারম্যানের সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ২০
ফরিদপুরের বোয়ালমারীর শেখর ইউনিয়নের শেখর ও দুর্গাপুর গ্রামের সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়েছে।
পূর্বশত্রুতা এবং আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রোববার (৬ ডিসেম্বর) সকালে এ সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, জেলা পরিষদ সদস্য ও শেখর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও শেখর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রইসুল ইসলাম পলাশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং ১০-১২টি ঘরবাড়ি ভাংচুর করা হয়। এরই জেরে রোববার সকালে উভয়পক্ষ ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় উভয়পক্ষের ৫০টির বেশি বাড়িঘর ভাংচুর হয়। আহতদের মধ্যে বাবলু মিয়া (৪০), শিমুল মোল্যা (৩৫), বিলাস মিয়া (৩০) ও মোর্শেদা বেগমকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

পরে মধুখালী সার্কেলের সিনিয়র এএসপি আনিসুজ্জামানসহ বোয়ালমারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে আটক করেছে।
বোয়ালমারী থানার পরিদর্শক ওসি (তদন্ত) মো. আবুল খায়ের মিয়া বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি।
বি কে সিকদার সজল/এএইচ/পিআর