কক্সবাজার বিমানবন্দরে আ.লীগের দুই পক্ষের হাতাহাতি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে এসে কক্সবাজার বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মাঝে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে কক্সবাজার বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
হাতাহাতির ঘটনায় কক্সবাজার সদরের জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমরুল হাসান রাশেদ ও সদর উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মিজান আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। আহত দুজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার বিকেলে ঢাকা থেকে কক্সবাজার সফরে আসা ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানাতে অনুসারীদের নিয়ে উপস্থিত হন সদর-রামু আসনের এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল। একই সময় নিজের অনুসারীদের নিয়ে আসেন সদর উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল করিম মাদু। এ সময় বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জের সামনে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইমরুল হাসান রাশেদ ও যুবলীগ নেতা মিজানের ওপর হামলা করে অপর একটি গ্রুপ।
আওয়ামী লীগের কয়েকজন কর্মী জানান, রামু-সদর আসনের এমপি সাইমুম সরওয়ার কমলকে উদ্দেশ্যে করে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুল করিম মাদু ‘গালমন্দ’ করলে এর প্রতিবাদ জানান মিজান। এ সময় মিজানের দিকে তেড়ে আসতে দেখে মাদুকে থামানোর চেষ্টা করেন ইমরুল রাশেদ। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাদু ইমরুল রাশেদকে মারধর করেন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ জানায় ইমরুল রাশেদের সমর্থকরা। রোববার বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তারা ঈদগাঁও বাজারের বাসস্টেশনে জড়ো হয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখে।
তাদের অবরোধের কারণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের উভয় পাশে প্রায় ৩০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ অবরোধকারীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দিয়ে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক করে।
এ বিষয়ে ইমরুল রাশেদ বলেন, হামলার ঘটনায় কক্সবাজার সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুল করিম মাদু সরাসরি জড়িত।
অভিযোগের বিষয়ে মাহামুদুল করিম মাদু বলেন, চেয়ারম্যান ইমরুল রাশেদ আমার দিকে তেড়ে এসে ‘বেয়াদবি’ করেছে। তা দেখে সেখানে উপস্থিত যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে লাঞ্ছিত করে। কিন্তু এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার চেষ্টা করছে একটি চক্র, যা মোটেও উচিত নয়।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দে জানান, এখনো থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে যাতে কেউ বিশৃঙ্খলা না করতে পারে সেদিকে নজর রাখছে পুলিশ।
সায়ীদ আলমগীর/এমএইচআর/এমএস
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ আ. লীগের নিরপরাধ কর্মীরা ১০ দলীয় জোটে আসতে পারবেন: হান্নান মাসউদ
- ২ দাঁড়িপাল্লাকে জয়লাভ করানো সবার ঈমানী দায়িত্ব: শাহরিয়ার কবির
- ৩ দক্ষিণ আফ্রিকায় ‘সন্ত্রাসীদের’ গুলিতে মিরসরাইয়ের টিপু নিহত
- ৪ বিএনপি প্রার্থী ফজলুর রহমানের জনসভায় চেয়ার ছোড়াছুড়ি, আহত ২০
- ৫ ৮০% মুসলমানের এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না