ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ফরিদপুর থেকে ৫ আদালত ভাঙ্গায় স্থানান্তরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

জেলা প্রতিনিধি | ফরিদপুর | প্রকাশিত: ০৫:৩২ পিএম, ১১ মার্চ ২০২১

ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী জেলা জজ আদালতের যুগ্ম জেলা জজ ও সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট আদালতসহ পাঁচটি আদালত ভাঙ্গা উপজেলায় স্থানান্তরের প্রতিবাদে জেলাজুড়ে ক্রমেই ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। জেলা আইনজীবী সমিতিসহ বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) আইনজীবীরা ফরিদপুরের সব আদালত বর্জন করে বার মিলনায়তনে অবস্থান নেন।

অন্যদিকে দুপুরে সালথায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সালথা উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ মানববন্ধন করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ।

এতে বক্তব্য দেন, সালথা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান হামিদ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াদুদ মাতুব্বার, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন গিয়াস, উপজেলা মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি আব্দুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি শওকত হোসেন মুকুল, সালথা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি চৌধুরী মাহমুদ আশরাফ টুটু প্রমুখ।

jagonews24

এর আগে গতকাল বুধবার আইনজীবী ভবনের নিচ তলায় এক সাধারণ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন- ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবল চন্দ্র সাহা, সাজাহান মিয়া, শফিউল আলম, সৈয়দ মোদারেজ আলী (ইছা), শহিদুল নবী, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট বাবু মোল্লা, বিশ্বজিৎ গাঙ্গুলি, মানিক মজুমদার, জেলা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) দুলাল চন্দ্র সরকার, নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট স্বপন পাল, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট গোলজার হোসেন মৃধা, কায়ছার শরীফ, কুব্বাদ, নুরআলম, হাবিবুর রহমান, জাহিদ ব্যাপারী, বদিউজ্জামান বাবুল, সিরাজ, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, স্বপন আচার্য, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ, অ্যাডভোকেট শেখ সেলিমুজ্জামান রুকু, অ্যাডভোকেট আবুল হাসান প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী জেলা জজ আদালত ব্রিটিশ সরকার থেকেই পরিচালিত হয়ে আসছে। কিছু সংখ্যক কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে এই আদালতকে স্থানান্তরের জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার থেকে পরিচালিত এই আদালত জেলা থেকে কীভাবে একটি উপজেলায় স্থানান্তরিত হয় তা আমাদের বোধগম্য নয়। ২০০ বছর এর পুরাতন স্মৃতিটাকে স্থানান্তর করা মানে ফরিদপুর জেলা তথা বৃহত্তর ফরিদপুরকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়া। এতে সাধারণ জনগণ যেমন ভোগান্তির মুখে পড়বে, তেমনি ন্যায্য বিচার নিয়েও প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে।

তারা বলেন, ভাঙ্গা উপজেলায় আদালত স্থানান্তরের বিষয়ে আমরা কেউ অবগত নই। এছাড়া এই বৃদ্ধ বয়সে আমরা কেউ উপজেলায় গিয়ে কাজ করতে আগ্রহী নই। কিছু সংখ্যক কুচক্রী মহল ইতিহাস বিকৃতি করে ভাঙ্গা উপজেলায় নেয়ার চেষ্টা করছে। তাই আমরা এই ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াব। এ ছাড়া ন্যায় বিচার পেতে সাধারণ জনগণও ফরিদপুর জেলাকে এড়িয়ে একটি উপজেলায় যেতে চায় না।

এসজে/জিকেএস