ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সফলতার পরও বন্ধ হলো বিদ্যুৎবিহীন দেশের প্রথম প্রাকৃতিক হিমাগার

জেলা প্রতিনিধি | দিনাজপুর | প্রকাশিত: ১২:৫৪ পিএম, ২১ মার্চ ২০২১

পরীক্ষামূলক কর্যক্রমে সফলতা মিললেও বন্ধ হয়ে গেছে বিদ্যুৎবিহীন দেশের প্রথম প্রাকৃতিক হিমাগার। ২০২০ সালের মার্চ থেকে এ হিমাগারটি বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

২০১১ সালে বীরগঞ্জ পৌর এলাকায় দিনাজপুর-পঞ্চগড় মহাসড়কের জগদল মৌজায় ১১০ টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎবিহীন প্রাকৃতিক হিমাগারটি নির্মিত হয়। কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামের মৃত আলহাজ ডা. শমসের আলী শাহের ছেলে মীম সিডের স্বত্বাধিকারী কৃষিবিদ মো. তৌহিদুল ইসলাম বকুল এবং জিমার্ক ও ক্যাটালিস্ট নামে বেসরকারি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে হিমাগারটি নির্মিত হয়।

নির্মাণের পর পরীক্ষামূলক ২৮ দিন পর্যন্ত ফুলকপি ও ৭৫ দিন পর্যন্ত পাতা কপি এবং ছয় মাস পর্যন্ত আলু সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সফলতা আসে। এতে বদলে যেতে শুরু করে এ অঞ্চলের সাধারণ কৃষকদের ভাগ্যের চাকা। প্রাকৃতিক এ হিমাগারে আলু সংরক্ষণের জন্য কেজি প্রতি খরচ হয় মাত্র এক টাকা। এছাড়া এখানে আলুসহ কোনো ধরনের সবজি পচে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল না।

jagonews24

২০১১ সালের অক্টোবরে নির্মাণ হলেও হিমাগারটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ২০১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। সে সময় নির্মাণে ব্যয় হয় পাঁচ লাখ ৬২ হাজার টাকা। বেসরকারি সংস্থা ক্যাটালিস্ট ও জিমার্কের আর্থিক সহযোগিতায় এবং কমপিটিবল টেকনোলজি ইনস্টোলেশনের (সিটিআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে হিমাগারটি নির্মাণ করা হয়।

বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করে মীম সিডের স্বত্বাধিকারী কৃষিবিদ মো. তৌহিদুল ইসলাম বকুল বলেন, হিমাগারে আরও কিছু পরিবর্তন এবং আধুনিকায়নের পর চালু করা সম্ভব। এটি শুধু দেশে নয়, বিশ্বে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

কিন্তু কেন পরিবর্তন এবং আধুনিকায়ন করা হচ্ছে না তা জানতে চাইলে তিনি আগামীবার চেষ্টা করবেন বলে জানান। হিমাগারটি কী বন্ধ হয়ে গেছে প্রশ্ন করতেই তিনি একটি অনুষ্ঠানে আছেন বলে ফোন রেখে দেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সে সময় বেসরকারি সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এবং জিমার্কের সহযোগিতায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালায়, বান্দরবান সদর, আলীকদমে একটি এবং জাপানের অর্থায়নে এবং জিমার্কের সহযোগিতায় বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় সাতটি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে রাজশাহীতে একটি প্রাকৃতিক হিমাগার নির্মাণ করা হয়। সেগুলোও বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা যায়।

এমদাদুল হক মিলন/এএইচ/জিকেএস