ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

আবাসন কেন্দ্র থেকে পালিয়ে যাওয়া আরও দুজনের সন্ধান মিলেছে

জেলা প্রতিনিধি | গাজীপুর | প্রকাশিত: ১২:১০ পিএম, ২৯ মার্চ ২০২১

গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়ায় নারী, শিশু ও কিশোরী হেফাজতীদের নিরাপদ আবাসন কেন্দ্র থেকে পালিয়ে যাওয়া সাত হেফাজতীকে উদ্ধারের পর আরও দুজনের সন্ধান পাওয়া গেছে। এছাড়া বাকি পাঁচজনেরও অবস্থান শনাক্ত করা গেছে।

সোমবার (২৯ মার্চ) নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-পরিচালক এবং আবাসন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদা খানম বলেন, সবশেষ সন্ধান পাওয়া দুজনই রয়েছে তাদের অভিভাবকের হেফাজতে। অভিভাবক ফোনে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, তারা অসুস্থ থাকায় তাদের কেন্দ্রে পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। সুস্থ হওয়ার পর যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের ওই হেফাজত কেন্দ্রে ফেরত পাঠাবেন বলেছেন। এ দুজনের মধ্যে একজন কেরানীগঞ্জে এবং অপরজন নরসিংদীতে আছে।

তিনি আরও বলেন, বাকি পাঁচজনের অবস্থানও নির্ণয় করা গেছে। ২৬ মার্চের অনুষ্ঠানের কারণে পুলিশ ব্যস্ত থাকায় তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে দ্রুতই তাদেরও উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে।

ফরিদা খানম বলেন, এ কেন্দ্রের সহকারী হোস্টেল সুপার মরিয়ম খাতুন, যিনি নিয়মিত হোস্টেলে অবস্থান করতেন না। তাকে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে বৃহস্পতিবার সাসপেন্ড করা হয়েছে। দুইমাস আগে জামালপুরের উপজেলা মহিলা কর্মকর্তাকে এ কেন্দ্রে ফুলটাইম অবস্থান করার জন্য তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিয়োগ দিলেও তিনি যোগদান না করায়, তাকেও শোকজ করা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম এ ঘটনা তদন্তে সাত কর্মদিবস সময় দিয়ে মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এবং নারী বিষয়ক অধিদফতরের পরিচালক মনোয়ারা ইসরাতকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। কিন্তু তদন্ত কমিটির প্রধান করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় তদন্ত আর গতি পায়নি। দ্রুতই তদন্তে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ হবে বলে জানা গেছে।

তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ওই আবাসন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদা খানম, উপ-সচিব জগদীশ দেবনাথ, গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল কালাম ও গাজীপুর জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শাহ্নাজ আক্তার।

মন্ত্রণালয়ের উপ-পরিচালক ও আবাসন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদা খানম বলেন, ‘এখানে ফুলটাইম অফিসার নেই। আমি এ কেন্দ্রের এডিশনাল দায়িত্ব পালন করছি। এ কেন্দ্রে মোট ২৮ জন হেফাজতী ছিল। তার মধ্যে বুধবার রাতে ১৪ জন পালিয়ে গেলেও ওই রাতেই সাত জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ফুলটাইম কর্মকর্তা নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে অন্তত দুইদিন এ আবাসন কেন্দ্রে ফুলটাইম অবস্থান করব।’

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ফারুক জানান, এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের স্টোর কিপার আব্দুর রহমান মোল্লা বাদী হয়ে ১৪ জনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার বিকেলে বাসন থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ২৬ মার্চের নানা কর্মসূচির কারণে অন্য কোথাও মুভমেন্ট করা সম্ভব হয়নি।

মো. আমিনুল ইসলাম/এসজে/জিকেএস