ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

নিবন্ধন করেও মিলছে না করোনার ভ্যাকসিন

জেলা প্রতিনিধি | দিনাজপুর | প্রকাশিত: ০৫:১০ পিএম, ৩১ মার্চ ২০২১

যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নিবন্ধনের পরও করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে পারছে না দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার বাসিন্দারা। এদিকে প্রথম ধাপে বরাদ্দ পাওয়া করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন শেষ হয়ে গেছে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশব্যাপী নির্দিষ্ট একটি ওয়েব পোর্টাল এবং অ্যাপসের মাধ্যমে নিবন্ধন করে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার। এ পোর্টালে ৪০ বছরের বেশি সাধারণ নাগরিক এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৪০ বছরের নিচে যেকোনো বয়সের সম্মুখ সাড়ির করোনা যোদ্ধারা টিকা পাবেন। কিন্তু যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য নিবন্ধন করলেও দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার নাগরিকরা ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে পারছে না।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, গত জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে দিনাজপুরে প্রথম ধাপে ভ্যাকসিন এসেছিল ৯৬ হাজার। এরপর দুই ধাপে আরও ৯ হাজার ডোজ টিকা এসেছে এ জেলায়। জেলায় আসা এক লাখ পাঁচ হাজার টিকার মধ্যে দুই ধাপে ঘোড়াঘাট উপজেলার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল তিন হাজার ৯৬০ ডোজ ভ্যাকসিন। টিকা পৌঁছানোর পর গত ফেব্রুয়ারি মাসের ৭ তারিখে ঘোড়াঘাট উপজেলায় প্রথম ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়। গত ২৭ মার্চ (শনিবার) প্রথম ধাপের বরাদ্দকৃত ভ্যাকসিন প্রদান শেষ হয় ঘোড়াঘাটে। এরপর থেকে নিবন্ধন করলেও ভ্যাকসিন না থাকায় টিকা গ্রহণ করতে পারছে না নিবন্ধনকারীরা।

ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুর নেওয়াজ আহম্মেদ বলেন, ‘ভ্যাকসিন শেষ হওয়ায় নতুন করে কাউকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য নিবন্ধন কার্যক্রম চালু রয়েছে। এখন যারা নিবন্ধন করছেন তাদেরকে দ্বিতীয় ধাপে করোনার ভ্যাকসিন আসলে টিকা প্রদান করা হবে।’

ভ্যাকসিন স্বল্পতার কথা স্বীকার করে দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, ‘আগামী ৫ এপ্রিল পর্যন্ত প্রথম ধাপের করোনা ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। এরপর যদি যথা সময়ে ভ্যাকসিন দেশে আসে, তবে আগামী ৮ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় ধাপে ভ্যাকসিন প্রদান শুরু হবার কথা রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, এক লাখ পাঁচ হাজার টিকার অনুকূলে দিনাজপুর জেলায় নিবন্ধন করেছে এক লাখ ২০ হাজার জন। গতকাল মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) পর্যন্ত আমরা পুরো জেলায় ভ্যাকসিন প্রদান করেছি ৯৮ হাজার ৫০০ জনের মাঝে। সাত হাজার ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম চলছে। আরও ১৫ হাজার টিকার চাহিদা রয়েছে।’

এমদাদুল হক মিলন/আরএইচ/এএসএম