ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

স্বামীর হত্যার বিচার চেয়ে কান্নায় লুটিয়ে পড়লেন স্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি | শরীয়তপুর | প্রকাশিত: ০৩:৪২ পিএম, ২১ এপ্রিল ২০২১

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় ইদ্রিস সরদারকে (৬৫) হত্যার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পরিবারের লোকজন। বুধবার (২১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের রুদ্রকর গ্রামে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলন চলাকালে ইদ্রিস সরদারের স্ত্রী পেয়ারা বেগম (৫০) স্বামী হত্যার বিচার চেয়ে কান্নারত অবস্থায় টেবিলের ওপর লুটিয়ে পড়েন।

পেয়ারা বেগম বলেন, আমার স্বামীকে স্থানীয় সন্ত্রাসী রুবেল, সাহেব আলী, জুলহাস, রানারা হত্যা করেন। আমি তাদের ফাঁসি চাই। এরপরই টেবিলের ওপর লুটিয়ে পড়েন তিনি।

ইদ্রিস সরদারের মেয়ে মামলার বাদী রোজিনা খানম বলেন, ২০২০ সালের ১ জুন আমার ভাই রাজন সরদারকে (১২) স্থানীয় সন্ত্রাসীরা হত্যা করে। সেই হত্যার বিচার আমরা পাইনি। এর এক বছর পর আবার আমার বাবাকে হত্যা করল।

woman2

বাবা হত্যার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, রোববার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে আমার ছোটভাই শাওন সরদার (১০) প্রতিবেশী ইসমাইল ঢালীর পুকুর পাড়ের গর্তে মাছরাঙা পাখির ছানা খুঁজতে যায়। এসময় আমাদের প্রতিবেশী মৃত ইউসুফ আলী সরদারের ছেলে রুবেল সরদার (২৫) শাওনকে মারধর করে। এরপর আমার বাবা ইদ্রিস সরদার ও মা পেয়ারা বেগম এ বিষয় নিয়ে কথা বলতে রুবেলের বাড়িতে যান। তখন রুবেল সরদার, তার স্ত্রী সানজিদা বেগম (২৮), বোনজামাই সাহেব আলী শিকদার (৪৮), ভাগনা জুলহাস শিকদার (২২), রানা শিকদার (২০), বড়বোন জরিনা বেগম (৩৮) মাটিতে ফেলে আমার বাবাকে এলোপাতাড়ি ঘুষি মারতে থাকেন। এতে বাবা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। সন্ধ্যায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে বাবা মারা যান। কিন্তু চারদিন হয়ে গেলেও বাবার হত্যাকারীদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। রুবেলের পরিবার মামলা তুলে নিতে আমাদের হুমকি দিচ্ছে।

এসময় ইদ্রিস সরদারের মেয়ে রাবেয়া বেগম, ছেলে রাসেল সরদার, রাকিব সরদার, শাওন সরদার উপস্থিত ছিলেন।

নিহত ইদ্রিস সরদার ওই গ্রামের মৃত মকদম আলী সরদারের ছেলে। তিনি একজন কৃষক ছিলেন।

মো. ছগির হোসেন/এসআর/এমএস