ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

উদ্ধার হওয়া ফেনসিডিল বিক্রি: এএসপিসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক | বগুড়া | প্রকাশিত: ০৭:০৮ পিএম, ২১ এপ্রিল ২০২১

বগুড়ায় জব্দকৃত ২৪৮ বোতল ফেনসিডিল থেকে ৮৮ বোতল বিক্রি করে দেয়ার ঘটনায় মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে দুই পুলিশ কর্মকর্তা ও শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পুলিশ হেডকোয়ার্টারস থেকে এএসপিকে প্রত্যাহার সংক্রান্ত একটি আদেশ বগুড়ার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পৌঁছেছে।

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ স্বাক্ষরিত আদেশে শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীকে প্রত্যাহার করে বরিশাল রেঞ্জ অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে বিকেলে বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা শিবগঞ্জ থানার মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শাহিন জামান ও ফেনসিডিল উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদী উপপরিদর্শক (এসআই) সুজাউদ্দৌলাকে প্রত্যাহার করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ এপ্রিল রাতে বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশি করছিলেন মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা। চেকপোস্টে নেতৃত্ব দেন শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ সদস্যরা জানান, যানবাহন তল্লাশিকালে ঢাকাগামী বাস খালেক পরিবহন থেকে নাজিম নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ বোতল এবং পিংকি পরিবহন থেকে সাইফুল ইসলাম নামের একজনকে ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। এ ঘটনায় মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) সুজাউদ্দৌলা বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেন।

পিংকি পরিবহন থেকে উদ্ধারকৃত ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলের বদলে ১১০ বোতল জব্দ দেখিয়ে সাইফুলের নামে মামলা দেয়া হয়। বাকি ৮৮ বোতল ফেনসিডিল মোকামতলা ফাঁড়ি পুলিশ তাদের সোর্সের মাধ্যমে বিক্রি করে দেয়।

এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়ার পুলিশ সুপার মামলা দুটি ডিবিতে স্থানান্তরের আদেশ দেন। এছাড়া তিনি মঙ্গলবার মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে গিয়ে ফেনসিডিল উদ্ধারের সময় উপস্থিত পুলিশ সদস্য ছাড়াও মামলার সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শাহিন জামান বলেন, ‘প্রত্যাহারের আদেশ এখনো পাইনি। আদেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চলে যাব।’

তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ‘আমি এই অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত নই।’

শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘তাদেরকে প্রত্যাহারের আদেশ হয়েছে কি না আমার জানা নাই।’

এসজে/জিকেএস