ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সিরাজগঞ্জে ২০ হাজার অসহায় পরিবার পাচ্ছেন ইফতার ও ঈদ সামগ্রী

জেলা প্রতিনিধি | সিরাজগঞ্জ | প্রকাশিত: ০৮:২৫ পিএম, ২৫ এপ্রিল ২০২১

সিরাজগঞ্জে করোনায় কর্মহীন ২০ হাজার অসহায় পরিবার পাচ্ছেন ইফতার ও ঈদ সামগ্রী। রোববার (২৫ এপ্রিল) জেলার চৌহালি উপজেলার বাঘুটিয়া ও উমারপুর ইউনিয়নের প্রায় দুই হাজার পরিবারের মাঝে এসব সামগ্রী তুলে দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মণ্ডল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মমিন মণ্ডল।

পর্যায়ক্রমে চৌহালী ও বেলকুচি উপজেলার ১৩ ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় কর্মহীন অসহায় পরিবারে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হবে। সপ্তাহব্যাপী চলবে এ কার্যক্রম। হাজী আবদুল মজিদ মণ্ডল ফাউন্ডেশন পুরো কার্যক্রম তদারকি করছে।

প্রতিটি প্যাকেটে রয়েছে, চাল সাত কেজি, পায়েসের চাল এক কেজি, দুইলিটার সয়াবিন তেল, এক প্যাকেট খেজুর, এক কেজি ডাল, এক কেজি ছোলা, এক কেজি চিনি, এক কেজি লবণ, এক কোজি লাচ্ছা সেমাই ও শরবতের জন্য একটি করে ট্যাংয়ের প্যাকেট দেয়া হয়।

বাঘুটিয়া চরের ছানু পোদ্দার ও জামাল হোসন ঈদ সামগ্রী পেয়ে জানান, পুরো রমজান মাসের ইফতার ও ঈদ সামগ্রী পেয়েছি। গত বছরও পেয়েছিলাম। মণ্ডল পরিবারের মত সব বিত্তশালীরা যদি এমন হত। তাহলে গরিবদের রোজা পালনে কষ্ট কমে যেত। গরিবের ঈদ আরও আনন্দময় হত।

jagonews24

এ বিষয়ে চৌহালী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি তাজ উদ্দিন জানান, নিজস্ব অর্থায়নে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ, বিভিন্ন দুর্যোগে ত্রাণ সহায়তা ও এলাকার উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন স্থানীয় সাংসদ আব্দুল মমিন মণ্ডল। সরকারি সুবিধার বাইরে একজন জনপ্রতিনিধির এধরনের কার্যক্রম সত্যি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

চৌহালী উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক সরকার বলেন, একদিকে করোনা অন্যদিকে যমুনা নদী ভাঙনে নিঃস্ব অসহায় মানুষগুলো ইফতার ও ঈদ সামগ্রী পেয়ে বেজায় খুশি। দেশ স্বাধীনের পর মণ্ডল পরিবারই প্রথম নিজস্ব অর্থায়নে ব্যাপক পরিসরে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ আব্দুল আব্দুল মমিন মণ্ডল জানান, আমার বাবা সাবেক এমপি আব্দুল মজিদ মণ্ডলকে দেখেছি গরিব ও অসহায়দের জন্য সব সময় কাজ করেছেন। এখন আরও ব্যাপক পরিসরে এলাকার রোজাদারদের জন্য ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। যতদিন বেঁচে আছি অসহায় বঞ্চিত মানুষ ও এলাকার উন্নয়নের নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নিয়ে জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাব।

ইউসুফ দেওয়ান রাজু/আরএইচ/এমকেএইচ