ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ প্রকল্পের ধান কাটলেন নানকসহ আ.লীগ নেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক | বগুড়া | প্রকাশিত: ০৩:৩৭ পিএম, ২৬ এপ্রিল ২০২১

বিশ্বরেকর্ড গড়া বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় একশ’ বিঘা জমির ক্যানভাসে আঁকা ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ চিত্রকর্মের ধানকাটা উদ্বোধন করলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। হাতে কাস্তে আর কোমরে গামছা বেঁধে ধান কাটতে নামেন তারা।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ১টার দিকে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমসহ দলের কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে এই ধান কাটা উৎসবের উদ্বোধন করেন। পরে এই ধানকাটা উৎসবে মেতে ওঠেন স্থানীয় কৃষকরা।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় পরিষদের উদ্যোগে এবং বেসরকারি কোম্পানি ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ারের সহযোগিতায় এই ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ নামে বিশাল আয়তনের এই প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়। এটি ১৬ মার্চ বিশ্বের সর্ববৃহৎ শস্যচিত্র হিসেবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে অন্তর্ভুক্ত হয়। যার মাধ্যমে বাঙালি জাতির নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে।

ধানকাটা উৎসবে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদের সদস্য সচিব কৃষিবিদ কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, সহ-সভাপতি মো. আব্দুল রাজ্জাক, কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ্র।

rice2

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন- বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনু, সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহনসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

আয়োজকরা জানান, বগুড়ার শেরপুর উপজেলার নিভৃত পল্লী বালেন্দা গ্রামের দিগন্ত বিস্তীর্ণ ফসলি মাঠের একশ’ বিঘা জমির গাড় বেগুনী ও সবুজ ক্যানভাসে ফুটে তোলা হয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি। যার নাম দেয়া হয় ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’। জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকী ঘিরে গত ২৯ জানুয়ারি উচ্চ ফলনশীল দুই ধরনের ধানের চারা রোপণের মাধ্যমে এই চিত্রকর্মটির শুভ সূচনা করা হয়।

এই প্রকল্পের জমির ধানকাটার পর সেগুলো প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে জমা দেয়া হবে। তবে এর কিছু অংশ স্থানীয় কৃষক এবং এই প্রকল্প কাজের সঙ্গে জড়িত শ্রমিকদেরও দেয়া হবে বলে জানান তারা।

এসজে/এমএস