ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সন্তানদের নিরাপত্তা চেয়ে প্রবাসী মায়ের সংবাদ সম্মেলন

জেলা প্রতিনিধি | ফরিদপুর | প্রকাশিত: ০৪:০৪ পিএম, ২৮ এপ্রিল ২০২১

ফরিদপুরের সালথার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরাটিয়া গ্রামের ইসমত আরা (৩৮) একজন প্রবাসী নারী শ্রমিক। ১০ বছরেরও বেশি সময় তিনি জর্ডান ও সৌদি আরবে রয়েছেন। বিদেশে টাকা রােজগার করে আড়াই লাখ টাকা দিয়ে স্বামীকেও ওমান পাঠান। আর সুমন (১৮), রুমন (১৫) ও শােয়ায়ব (৯) নামের তিন শিশু সন্তানকে রেখে যান দাদা বাড়ি। তাদের খরচের জন্য প্রতি মাসে টাকা দিয়েছেন। জমি কেনার জন্য স্বামীর বাড়িতে টাকাও পাঠিয়েছেন। কিন্তু স্বামী ফিরােজ খান এসব আত্মসাত করে আরাও দুটি বিয়ে করেছে। সন্তানদের ভরণপোষণ দিচ্ছে না। উল্টো যৌতুক চাচ্ছেন।

মুরাটিয়া গ্রামে বাবার ভিটায় বুধবার (২৮ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মলনে ইসমত আরা এসব অভিযােগ করেন।

তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, একাধিকবার এসব নিয়ে সালিশ হয়েছে। তবে সমাধান না পেয়ে গত ৪ এপ্রিল তিনি পারিবারিক আদালতে ভরণপােষণের দাবিতে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় তার কলেজপড়ুয়া বড় ছেলে সুমন খানের কথা শুনে বিচারক তার স্বামীকে জেলহাজতে পাঠান। ১৫ দিন জেল খেটে বেরিয়ে এখন তার বড় ছেলেকে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন তারই আপন বাবা।

সংবাদ সম্মলনে উপস্থিত ৯ বছর বয়সী মাদরাসাপড়ুয়া ছাত্র শােয়ায়েব জানায়, গত ৭ জানুয়ারি তার বাবা দেশে এলেও তাকে দেখতে আসেননি। এমনকি এই ৯ বছরেও একবারের জন্যও বাবার মুখটি দেখেনি সে।

ইসমত আরা বলেন, তার বাবা একজন দরিদ্র কৃষক ছিলেন। ভাইদের আর্থিক অবস্থাও ভালো না। তিনি স্বামীর কারণে সন্তানদের নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি এর উপযুক্ত বিচার চান।

জানতে চাইলে ইসমত আরার স্বামী ফিরােজ খান প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে আরাও দুটি বিয়ে করার কথা স্বীকার করেন। তবে তিনি দাবি করেন, গত চার বছর ধরে তিনি ছেলেদের খরচের জন্য টাকা দিয়েছেন। এ বিষয়ে তার কাছে প্রমাণও রয়েছে। ছেলেকে হত্যার হুমকির অভিযােগ অস্বীকার করেন। তার দাবি, প্রথম স্ত্রী ইমসত আরা বিদেশ যাওয়ার কিছুদিন পর তাকে ফােন করলে অপমান করতেন। এ কারণে তিনি ক্ষোভে আরও দুটি বিয়ে করেন।

এসআর/জেআইএম