‘ছবি তুলতে গেলেই বলেন এবার ত্রাণ পাবো’
আনোয়ারা বেগম। বয়স ৪০। পনের বছর ধরে চায়ের দোকান করেন।কিন্তু লকডাউন ঘোষণার পর পরিবার নিয়ে পড়েছেন বিপদে।দোকান খুলতে না পারায় বন্ধ রয়েছে আয়-রোজগার।তাই পরিবার চালাতে নিরুপায় হয়ে কিছু ফল নিয়ে রাস্তার বসেছেন।
শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় শহরের পিডিএস মাঠ সংলগ্ন রাস্তার পাশে কিছু কলা একটি টেবিলে হালি করে সাজিয়ে রাখতে দেখা যায় আনোয়ারাকে। সঙ্গে ছোট সাইজের কিছু তরমুজও।ঘণ্টাখানেক সেখানে অপেক্ষা করেও কোনো ক্রেতার দেখা মেলেনি। কৌতুহলবশত ছবি তুলতে গেলে আনোয়ারা বলেন ত্রাণ দিবেন বুঝি।

আনোয়ারা জানান, ১৭ বছর আগে বিয়ের পর পরিবারে এখন পাঁচ সদস্য।বড় ছেলের বয়স ১৫ বছর। লকডাউনের আগে চায়ের দোকান দিয়ে ভালোই চলত সংসার। দিনে ৫-৬শ টাকা আয় হতো।কিন্তু লকডাউন ও রমজানে চায়ের দোকান বন্ধ। আগে স্বামী টুকটাক কাজ করলেও লকডাউনে তা একেবারে বন্ধ।

তিনি আরও জানান, আজ এক হাজার টাকা দিয়ে ছোট সাইজের ফল কিনেছি। এ ফল বেচতে ৩-৪ দিন লেগে যেতে পারে। ক্রেতার সংখ্যা কম তো। ফল বিক্রি করে এখন প্রতিদিন ১০০ টাকার মত লাভ হয়। তা দিয়ে সংসার চলে। কী করবো খেয়ে না খেয়ে থাকতে হয়।ভিক্ষা তো করতে পারি না। খুবই কষ্টে আছি। এখন পর্যন্ত কোনো ত্রাণ পাইনি। সরকার যদি সাহায্য সহযোগিতা করতো তাহলে কষ্ট একটু কমতো।
এএইচ/জেআইএম
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ ইব্রাহিম নবীর কোরবানির চেয়েও জামায়াত নেতার কোরবানি বড়!
- ২ চা বাগানের ৬৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাবঞ্চিত ৯ হাজার শিশু
- ৩ খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠানে বিএনপির দুই গ্রুপের হট্টগোল
- ৪ দুই ঠিকাদারের ঠেলাঠেলিতে আটকা ২০ ফুট রাস্তা, দুর্ভোগে শহরবাসী
- ৫ ধানি জমি ধ্বংস করে অবাধে পুকুর খনন, জলাবদ্ধতায় হাজারো কৃষক