ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলছে যাত্রীবাহী পরিবহন

জেলা প্রতিনিধি | কুমিল্লা | প্রকাশিত: ০৪:৩৬ পিএম, ১১ জুলাই ২০২১

করোনা সংক্রমণরোধে সারাদেশে চলমান কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার অংশে অবাধে চলছে যাত্রীবাহী পরিবহন। কয়েক দিনের তুলনায় সড়কে বেড়েছে যাত্রী ও পরিবহনের সংখ্যা।

এছাড়া চৌদ্দগ্রাম সদরে বেড়েছে জনসমাগম। প্রতিটি অলিগলিতে দেখা গেছে মানুষের ভিড়। এ সময় উপেক্ষিত রয়ে গেছে স্বাস্থ্যবিধি।

রোববার (১১ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে এমন চিত্র।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই চৌদ্দগ্রাম বাজার থেকে ফেনী-কুমিল্লা রুটে অবাধে অটোরিকশায় ভাড়ায় যাত্রী নিচ্ছেন চালকরা। এ ক্ষেত্রে চার-পাঁচগুণেরও বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে যাত্রীদের থেকে। এ নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডাও করতেও দেখা গেছে তাদের। চালকরা বলছেন, ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়কে চলছি। কতদিকে টাকা দিতে হয়, তাই ভাড়া কম নেয়ার সুযোগ নেই।

চৌদ্দগ্রাম বাজার থেকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে পর্যন্ত প্রত্যেক যাত্রীকে দিতে হচ্ছে ১৫০-২০০ টাকা। আর ফেনী শহর বা মহিপাল পর্যন্তও একই ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এছাড়াও বেশি ভাড়ায় প্রাইভেটকার ও কাভার্ডভ্যানে যাত্রী তুলতে দেখা গেছে। এ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন একাধিক যাত্রী।

ফারুক হোসন নামের এক যাত্রী জানান, প্রায় ২ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছি। ফেনীতে যাবো। সিএনজিতে ভাড়া চাচ্ছে ২০০ করে। বাধ্য হয়ে এ ভাড়া দিয়েই যেতে হবে মনে হয়।

jagonews24

শাহীন আলম নামের আরেক যাত্রী জানান, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে চৌদ্দগ্রামে এসেছেন জনপ্রতি ২০০ টাকা করে। সিএনজিচালকরা যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন।

সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক জাহাঙ্গীর বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী পারাপার করছি। এতে ভাড়ার পরিমাণ তো একটু বেশিই হবে।

এ বিষয়ে মিয়া বাজার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামন জাগো নিউজকে বলেন, বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে প্রথমদিন থেকেই মহাসড়কে পুলিশ তৎপর রয়েছে। তবে যাত্রী বহনকারী পরিবহন আমাদের চোখে পড়েনি। যদি দেখতে পাই অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জাহিদ পাটোয়ারী/এসএমএম/জেআইএম