শিমুলিয়া-বাংলাবাজারে উভয়মুখী যাত্রীর চাপ বাড়ছে
আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া বিধিনিষেধের ফলে ঈদের পরদিনই কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। এদিকে ঈদের আগে অনেক যাত্রী যাচ্ছেন গ্রামে। তবে চাপ বেশি কর্মস্থলে ফেরত আসা যাত্রীদের।

বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) সকাল থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটের ফেরি ও লঞ্চে উভয়মুখী যাত্রীদের চাপ দেখা গেছে।
এদিকে শিমুলিয়াঘাটে পরাপারের অপেক্ষায় এখনও রয়েছে ব্যক্তিগত ও পণ্যবাহী গাড়ির দীর্ঘ সারি।

বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা যায়, ঘাটে ব্যক্তিগত ও পণ্যবাহী মিলিয়ে পাঁচ শতাধিক গাড়ি পদ্মা পারের অপেক্ষায় রয়েছে। অন্যদিকে লঞ্চে যাত্রীর চাপ কিছুটা কম। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও শিমুলিয়া-মাজিরকান্দি নৌরুটে ৮৪টি লঞ্চে উভয়মুখী যাত্রীরা নির্বিঘ্নে পারাপার করছেন।
ঢাকাগামী হেলেনা আক্তার নামের এক নারী জানান, ঈদ কাটালাম বাড়িতে এখন ঢাকায় যাচ্ছি। বিধিনিষেধ দিলে গাড়ি বন্ধ হয়ে যাবে। তখনতো আর ফেরা যাবে না।

আরেক যাত্রী ইসমাইল হোসেন বলেন, মাত্র একটি দিনের জন্য বাসায় গেলাম। ঈদ কাটাতে না কাটাতে এখন ঢাকায় ফিরতে হচ্ছে। দুই-একটা দিন বেশি সময় দিলে ভালো হতো।
বরিশালের যাত্রী আবির হোসেন বলেন, বিশিনিষেধ কবে না কবে শেষ হয়?- তার ঠিক নেই। এর ওপর ঈদের আগে বাড়ি যেতে পারিনি। তাই এখন বাড়ি যাচ্ছি। শ্যামপুর থেকে বরিশাল যাচ্ছি। খুব ভোরে চলে এসেছি ঘাটে। রাস্তায় তেমন ঝামেলা হয়নি। বিধিনিষেধ শেষ হলে চলে আসবো।

বিআইডব্লিউটিস শিমুলিয়াঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. ফয়সাল আহমেদ জানান, নৌরুটে বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৫টি ফেরি সচল রয়েছে। ঘাট এলাকায় পারাপারের জন্য প্রায় চার শতাধিক যানবাহন রয়েছে। সকাল থেকে যাত্রী ও মোটরসাইকেলের চাপ রয়েছে ফেরিগুলোতে।
তিনি আরও জানান, পদ্মায় তীব্র স্রোতে নৌরুটে ফেরি চলাচলে বেশি সময় লাগছে। এতে ঘাটে থাকা যানবাহন পারাপারে দেড়ি হচ্ছে।
আরাফাত রায়হান সাকিব/এসএমএম/এমএস