ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

পাকা সড়কের অভাবে গ্রামবাসীর দুর্ভোগ চরমে

জেলা প্রতিনিধি | টাঙ্গাইল | প্রকাশিত: ০৫:৫০ পিএম, ২৪ জুলাই ২০২১

টাঙ্গাইলে একটি সড়কের সংস্কার অভাবে দুই গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। নাগরপুরের দপ্তিয়র ইউনিয়নের ধূনাইল-দৌলতপুর চার কিলোমিটার দীর্ঘ একটি কাঁচা সড়ক থাকলেও দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সারোটিয়া গাজি ও পাছ আরড়া গ্রামের মানুষ উপজেলা সদরে যাতায়াত করতে পারছে না।

সড়কটির উন্নয়ন না হওয়ায় ওই দুই গ্রামের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিপণ্য, ব্যবসা-বাণিজ্যে মুখ থুবড়ে পশ্চাৎপদ জনপদ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

জানা গেছে, টাঙ্গাইলের নাগরপুরের সঙ্গে মানিকগঞ্জের (তৎকালীন ঢাকা জেলার) দৌলতপুরের যোগাযোগ স্থাপনে পাকিস্তান আমলে ধূনাইল-দৌলতপুর ভায়া সারোটিয়া গাজি ও পাছ আরড়া চার কিলোমিটার কাঁচা সড়ক নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি এখন সমতল ভূমিতে পরিণত হয়েছে।

সামান্য বৃষ্টি হলে কাঁদা আর শুকনো মৌসুমে ধূলায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। ওই সড়কে নাগরপুর ও দৌলতপুরকে দ্বিখন্ডিত করেছে একটি খাল। বর্ষায় পানিতে খালটি পরিপূর্ণ থাকে। বাধ্য হয়ে নৌকা দিয়ে পারাপার হতে হয়।

সারোটিয়া গাজি গ্রামের আমিরুল ইসলাম আলোক ও মনির হোসেনসহ অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বৃষ্টি হলে কাঁদা আর শুকনায় ধূলার সাগর পাড়ি দিয়ে চলাচল করতে হয়। রিকশা, সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলতে পারে না। এমনকি পায়ে হেঁটে চলাচলও কঠিন হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীরা স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় সময়মতো যেতে পারে না। প্রসূতিদের সময়মতো হাসপাতালে নেয়া সম্ভব হয় না। পণ্য পরিবহনে ঘোড়া ও গরুর গাড়ির কোনো বিকল্প নেই।

তাদের অভিযোগ, এই সড়ক দিয়ে দুই গ্রামের হাজার হাজার মানুষের চলাচল। নির্বাচন এলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও রাজনৈতিক নেতারা বার বার সড়কটি পাকা করার প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচিত হওয়ার পর কেউ কথা রাখেনি।

দপ্তিয়র ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম ফিরোজ সিদ্দিকী জানান, গ্রাম দুটির যোগাযোগ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নাজুক। ইউনিয়ন পরিষদের ছোট-খাট প্রকল্প দিয়ে এ সমস্যার সমাধান আদৌ সম্ভব নয়। মেগা প্রকল্প গ্রহণ করার সক্ষমতা ইউনিয়ন পরিষদের নেই। তবে তিনি বিষয়টি উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় উত্থাপন করবেন।

আরিফ উর রহমান টগর /এমএসএম/এমআরএম/এএসএম