‘রাজবাড়ীতে বাঁধের কাজে গাফিলতি থাকলে বিভাগীয় ব্যবস্থা’
রাজবাড়ীতে নির্মাণাধীন স্থায়ী বাঁধে পানি উন্নয়ন বোর্ড বা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কারও গাফিলতি থাকলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম।
তিনি বলেছেন, ‘অনেক ক্ষেত্রে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়। যে কারণে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে ডিজাইনার প্রধানকে রাজবাড়ীতে পাঠানো হয়েছিল। কাজের গুনগত মান ঠিক রাখার লক্ষ্যে কাজ করছেন। কাজের জন্য এখন ডিজাইনের পরিবর্তন প্রয়োজন হলে সেটাও দ্রুততার সঙ্গে করা হবে।’
সোমবার (৯ আগস্ট) বিকেলে রাজবাড়ীর পদ্মা নদীর ডান তীর রক্ষা বাঁধ ভাঙন পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।
উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম বলেন, ‘এ বর্ষায় রাজবাড়ীকে রক্ষার চেষ্টা চলছে। আগামী বছরের বর্ষার আগে কাজের গুনগত মান বজায় রেখে স্থায়ী প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। রাজবাড়ীসহ সারা দেশের স্থায়ী প্রকল্পগুলো দ্রুততার সঙ্গে বাস্তবায়ন করতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাজ চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে রাজবাড়ী শহর হুমকির সম্মুখীন হওয়া সম্ভাবনা থাকলে দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ কাজী কেরামত আলী, নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট খোদেজা নাসরিন আক্তার হোমেন, সালমা চৌধুরী রুমা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহা-পরিচালক ফজলুর রশিদ, রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম, পুলিশ সুপার এমএম শাকিলুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রৌকশলী আব্দুল আহাদ, পৌর মেয়র আলমগীর শেখ তিতু প্রমুখ।
পরে উপমন্ত্রী রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরিঘাট এলাকার পদ্মা নদীর ভাঙন কবলিত স্থান পরিদর্শনের জন্য রওনা হন।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৭ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত রাজবাড়ী পদ্মা নদীর শহর রক্ষা বাঁধের ডান তীর প্রতিরক্ষার (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের গোদার বাজার এলাকার চলমান কাজের কয়েকটি স্থানের প্রায় আড়াইশ মিটার পিচিং করা ব্লক ধসে যায়। এখন কোথাও কোথাও বন্যা নিয়ন্ত্রণকারী বাঁধ থেকে নদীর দূরত্ব ২০ থেকে ২৫ মিটার। ২০১৯ সালের জুলাইতে ৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫টি প্যাকেজে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।
রুবেলুর রহমান/এসজে/এমএস