ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

১২তম বারেও জামিন পেলেন না সাবেক মেয়র মুক্তি

জেলা প্রতিনিধি | টাঙ্গাইল | প্রকাশিত: ১০:০৬ পিএম, ১৭ আগস্ট ২০২১

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌরসভার মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন। এ নিয়ে টানা ১২ বার মুক্তির জামিন আবেদন নামঞ্জুর হলো।

এদিকে আদালতের সমন দিতে বিলম্ব হওয়ায় এ মামলার প্রথম আইও (তদন্ত কর্মকর্তা) আবু ওবায়দা এবং কনস্টেবল মামুনুর রশিদের জেরা অনুষ্ঠিত হয়নি। পরে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য পরবর্তী তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, এ মামলায় এখন পর্যন্ত ২৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত। ওইদিন ম্যাজিস্ট্রেট শিউলি রানী দাস, মামলার প্রথম আইও আবু ওবায়দা এবং কনস্টেবল মামুনুর রশিদের জেরা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান এই কৌঁসুলি।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে ২০১৪ সালে রাজা ও মোহাম্মদ আলীর নামের দুইজনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

ওই দুই আসামির জবানবন্দিতে এই হত্যার সঙ্গে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাসহ তার অপর তিন ভাই পৌরসভার তৎকালীন মেয়র শহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে।

এ ঘটনার পর সাবেক এমপি রানাসহ ও তার ভাইয়েরা আত্মগোপনে চলে যান। ২২ মাস পলাতক থাকার পর এমপি রানা আদালতে আত্মসর্মপণ করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। প্রায় দুই বছর কারাভোগের পর তিনি জামিনে মুক্ত হন।

আরিফ উর রহমান টগর/এসআর/এএসএম