ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কাজ শেষ না হতেই ৭০ লাখ টাকার রাস্তায় ভাঙন

জেলা প্রতিনিধি | টাঙ্গাইল | প্রকাশিত: ১২:২৫ পিএম, ২০ আগস্ট ২০২১

নির্মাণ কাজ শেষ না হতেই টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের হালুয়াপাড়া থেকে কর্মকারপাড়া পর্যন্ত ৯৫০ মিটার পাকা সড়কের দুপাশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। নিম্নমানের কাজ হওয়ায় এক মাসের মধ্যে রাস্তাটি ভেঙে পড়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাসাইল উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ওই সড়কটি পাকাকরণের জন্য দরপত্রের আহ্বান করে। ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯৫০ মিটার সড়ক পাকাকরণের কাজ পায় মেসার্স নাইস এন্টারপ্রাইজ নামের এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

হালুয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা জয়নাল মিয়ার অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করাসহ রাস্তার দুই পাশে মাটি না দেয়ায় এক মাসেই রাস্তাটি ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে গেছে। কাজ চলাকালে অভিযোগ করায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেয়। পরবর্তীতে কোনোরকমে কাজ শেষ করে।

ওই গ্রামের আরেক বাসিন্দা জাহাঙ্গীর বলেন, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে রাস্তার কাজ করা হয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় কম বিটুমিন দেয়ায় রাস্তার খোয়া দেখা যায়। এছাড়া রাস্তার দুপাশে তিন ফুট করে মাটি দেয়ার কথা থাকলেও সেটি দেয়া হয়নি। এ কারণে মাত্র কয়েকদিনেই রাস্তা ভেঙে গেছে।

ta-(2).jpg

বাসাইল উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান বলেন, মাটির সমস্যার জন্যই রাস্তাটির এমন অবস্থা হয়েছে। রাস্তাটির বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করা হয়েছে। বর্ষা মৌসুম চলে গেলে রাস্তাটি পুনরায় করা হবে। এখনও রাস্তা নির্মাণের সম্পূর্ণ টাকা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়নি।

এ বিষয়ে বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল জলিল বলেন, আমি এ উপজেলায় আসার আগেই রাস্তাটির কাজ সম্পূর্ণ হয়। এরপরও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় কাজ করার জন্য বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স নাইস এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার নাইস বলেন, রাস্তায় নতুন মাটি আর বালুর ওপরে বিটুমিন দিয়ে কার্পেটিং করা হয়েছে। তাই বৃষ্টিতে সেটি ধুয়ে নেমে গেছে। এ কারণেই হয়তো স্থানীয়রা কাজে নিম্নমানসহ সামগ্রী ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ভাঙা স্থান ঠিক করে দেয়া হবে এবং দুপাশে মাটি দেয়া হবে।

আরিফ উর রহমান টগর/এসজে/এমএস