শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে ফেরি চলবে দিনে
অবশেষে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে হালকা যানবাহন নিয়ে সীমিত পরিসরে ফেরি চলাচলের অনুমতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে রাতে বন্ধ রেখে শুধু দিনের বেলায় পাঁচটি মিডিয়াম ফেরি চলবে।
পরীক্ষামূলক ফেরিতে পর্যবেক্ষণ শেষে সোমবার (৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) পরিচালক (বাণিজ্য) এস এম আশিকুজ্জামান এ কথা জানান।
তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার স্বার্থেই ফেরি বন্ধ রাখা হয়েছিল। নৌরুটে প্রতিদিন ৬টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পাঁচটি মাঝারি ফেরি দিয়ে হালকা যানবাহন পারাপার করা হবে। তবে সেতুর নিরাপত্তায় রাতের বেলা বন্ধ থাকবে ফেরি। সেতু অতিক্রম করা হবে বিশেষ সতর্কতার সঙ্গে। প্রতিটি ফেরিকে মনিটরিং করা হবে। স্রোত আরও কমে আসলে সাত থেকে ১৫ দিনের মধ্যে নৌরুটে পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে ফেরি চলাচল।

বিআইডব্লিউটিসির পরিচালক আরও বলেন, শিমুলিয়া-বাংলাবাজারের বিকল্পে শিমুলিয়া-মাজিরকান্দি ফেরি সচলের জন্য জাজিরার মাঝিরকান্দিতে ঘাট তৈরি করা হয়েছিল। তবে নাব্য সংকটে সেটি আর চালু করা যায়নি। ভবিষ্যতে সেটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
এর আগে সোমবার বেলা ১১টার দিকে শিমুলিয়াঘাট থেকে ৩৮টি যানবাহন নিয়ে পরীক্ষামূলক বাংলাবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যায় মাঝারি ফেরি কুঞ্জলতা। এতে বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, সেতু কর্তৃপক্ষ, সেনাবাহিনীর যৌথ পর্যবেক্ষক দল উপস্থিত ছিল। এরপর একে একে চালু হয় আরও চারটি ফেরি।
এদিকে ফেরি চলাচল সচল হওয়ায় সকাল থেকে দুই ঘাটে ছোটবড় যানবাহন আসতে শুরু করে। দীর্ঘদিন পর ফেরি চালু হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে ফিরেছে স্বস্তি। যানবাহন ওঠা-নামায় আবারও ব্যস্ত ফেরিঘাটের পন্টুন। বারবার যেন ফেরি বন্ধ না হয় সে বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান যাত্রীদের।
আরাফাত রায়হান সাকিব/এসজে/এএসএম