শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে সচল হচ্ছে স্পিডবোট!
দুর্ঘটনার কারণে দীর্ঘ পাঁচমাস দুইদিন বন্ধ থাকার পর শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও মাঝিরকান্দি নৌরুটে আবারও চালু হচ্ছে স্পিডবোট। অনিবন্ধিত স্পিডবোটের নিবন্ধন, চালকের যোগ্যতা সনদ ও রুট পারমিট প্রক্রিয়ার পর স্পিডবোট সচলের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডাব্লিউটিএ। সবকিছু ঠিক থাকলে বুধবার (৬ অক্টোবর) থেকেই এ রুটে চালতে পারে স্পিটবোট।
বিআইডব্লিউটিএ শিমুলিয়া ঘাটের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপ-পরিচালক শাহাদাত হোসেন জাগো নিউজকে জানান, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার এবং মাঝিকান্দি নৌরুটে স্পিডবোটের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় ১৪৫টি আবেদন পাওয়া গেছে। যার মধ্যে কাগজপত্র ঠিক থাকায় নিবন্ধন পেয়েছে ১২৬টি। পাশাপাশি ১২০ চালক পেয়েছে যোগ্যতা সনদ। এখন পর্যন্ত ১৯ জনের রুট পারমিট পাওয়া গেছে। মঙ্গলবারও (৫ অক্টোবর) কিছু রুট পারমিট প্রধান কার্যালয় (ঢাকা) থেকে আসবে। এর উপর নির্ভর করবে বুধবার (৬ অক্টোবর) থেকে স্পিডবোট চলাচলের বিষয়টি।

শিপ সার্ভেয়ার ঢাকা সদরঘাটের মো. মামুনুর রশিদ জানান, মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া এবং আরিচা ঘাটের ২৩২ স্পিডবোট ইতিমধ্যে রেজিস্ট্রেশন, সার্ভে এবং চালকের সনদ দেওয়া হয়েছে। আমরা যান দেখাশোনা করি কিন্তু নদী দেখাশোনা করে বিআইডব্লিটিএ। তাই কবে থেকে স্পিডবোট চলবে তা বিআইডব্লিটিএ বলতে পারে।

সনদ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আসলে এটা একটা জটিল প্রক্রিয়া। সনদ পেতে অনেক কাগজপত্র দরকার। কাগজ সঠিক কিনা তা যাচাই-বাছাই করে স্ক্যান করে সার্ভারে আপলোড দিতে হয়।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৩মে শিমুলিয়াঘাট ৩১ যাত্রী নিয়ে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটের যাচ্ছিল একটি স্পিডবোট। বোটটি পুরোনো কাঁঠালবাড়ি ঘাটের কাছাকাছি পৌঁছার পর সেখানে নোঙর করে রাখা বালুবোঝাই বাল্কহেডের সঙ্গে সংঘর্ষে ডুবে যায়। এতে প্রাণ হারায় ২৬ জন। এর পর থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখা হয়। অনিবন্ধিত স্পিডবোট ও চালকদের লাইসেন্স ছাড়া চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বিআইডব্লিউটিএ। পাশাপাশি নিবন্ধন ও রুট পারমিটের উদ্যোগ নেয় কর্তৃপক্ষ।
আরাফাত রায়হান সাকিব/এএইচ/জেআইএম