ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

চার স্কুলছাত্রকে অপহরণ করে ২০ লাখ মুক্তিপণ দাবি দুই রোহিঙ্গার

জেলা প্রতিনিধি | কক্সবাজার | প্রকাশিত: ০৭:২১ পিএম, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১

কক্সবাজারের রামুর খুনিয়াপালংয়ের চার স্কুলছাত্র অপহরণের পর পরিবারের কাছে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছেন দুই রোহিঙ্গা। মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে তাদের অপহরণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল হোসেন বলেন, অপহরণের ঘটনায় রামু থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে ভিকটিমের পরিবার। তবে ঘটনাস্থল টেকনাফ হওয়ায় বিষয়টি টেকনাফ থানাকে জানানো হয়েছে।

অপহৃতরা হলো-রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পেচারদ্বীপের মংলাপাড়া এলাকার মোহাম্মদ কায়সার, মিজানুর রহমান নয়ন, জাহিদুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান। তাদের মধ্যে জাহিদুল সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। বাকিরা অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

রামু থানায় করা অভিযোগে বলা হয়েছে, রামুর পেচারদ্বীপের বাতিঘর নামে একটি কটেজের কর্মচারী জাহাঙ্গীর আলম ও মো. ইব্রাহিমের সঙ্গে বন্ধুত্ব তৈরি হয় ওই চার স্কুলছাত্রের। সে সুবাদে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে জাহাঙ্গীর ও ইব্রাহিম চার স্কুলছাত্রকে সেন্টমার্টিন বেড়াতে নেওয়ার কথা বলে টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় নিয়ে যান। ইব্রাহিম ও জাহাঙ্গীর দুজনই রোহিঙ্গা। সেখানে বেড়াতে যাওয়ার পর থেকে ওই চারজনের খোঁজ মিলছে না। পরদিন দুপুরে স্বজনদের কাছে বিভিন্ন অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করে মুক্তিপণ হিসেবে ২০ লাখ টাকা দাবি করা হচ্ছে। মুক্তিপণ না দিলে তাদের মরদেহ ফেরত দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ২৬ নম্বর ব্লকের মোহাম্মদ কাছিমের ছেলে। তার সহযোগী মোহাম্মদ ইব্রাহিমের বাড়িও সেখানে। তারা দুজনই বাতিঘর কটেজের বয় হিসেবে কর্মরত।

নিখোঁজ কায়সারের চাচা মোহাম্মদ তাহের বলেন, ইব্রাহিম ও জাহাঙ্গীর চারজনকে সেন্টমার্টিন বেড়াতে নেওয়ার কথা বলে নিয়ে যান। পরে তাদের মোবাইল ব্যবহার করে মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে।

খুনিয়াপালংয়ের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার মো. সোহেল বলেন, অপহৃতদের পরিবার আমাকে বিষয়টি জানায়। পরে আমি ভিকটিমের পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে হিমছড়ি পুলিশ, রামু থানা ও টেকনাফ থানায় লিখিতভাবে জানাই।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, রামুর চার স্কুলছাত্র অপহরণের ঘটনাটি আমরা তদন্ত করছি। অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান চলছে।

সায়ীদ আলমগীর/এসআর/জেআইএম