ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে এক রাতে ২ রুশ নাগরিকের মৃত্যু

জেলা প্রতিনিধি | পাবনা | প্রকাশিত: ০৪:২৭ পিএম, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাশিয়ার আরও দুই নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। এরা হলেন চুকিন পাভেল (৫৮) ও টলমাচেফ ভায়াচেস্লাভ (৫১)। এর মধ্যে শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে চুকিন পাভেল হৃদরোগে আর টলমাচেফ ভায়াচেস্লাভ দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। দুজনই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে কর্মরত ছিলেন।

শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সাইট ইনচার্জ রুহুল কুদ্দুস জাগো নিউজকে বলেন, চুকিন পাভেল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ‘টেস্ট রোসেম’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের নতুনহাট মোড়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের আবাসিক এলাকা গ্রিনসিটিতে সপরিবারে থাকতেন। শুক্রবার দিনগত রাত ৩টার দিকে ফ্ল্যাটের কক্ষে তিনি অচেতন অবস্থায় পড়েছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

সাইট ইনচার্জ রুহুল কুদ্দুস আরও বলেন, এদিকে শুক্রবার দিনগত রাত ২ টার দিকে ভায়াচেস্লাভ গ্রিনসিটি আবাসিকের ১২ নম্বর ভবনের একটি কক্ষে থেকে চৌদ্দ তলায় ওঠেন। নিচে নামার সময় তিনি সিঁড়িতে পা ফসকে একেবারে নিচে পড়ে যান। তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি রূপপুর প্রকল্পে রাশিয়ানদের মালিকানাধীন সাব-ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এসএমইউ-১ ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানে ইন্সটলার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, পাভেল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। আর ভায়াচেস্লাভ সিঁড়ি থেকে পড়ে মারা যান।

ওসি আরও বলেন, দুই রাশিয়ানের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে এক সপ্তাহ আগে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প এলাকায় এক দিনের ব্যবধানে দুই রুশ নাগরিক মারা যান। এরমধ্যে ২৮ জানুয়ারি রাতে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বারচেনকো আলেক্সেই এবং ২৬ জানুয়ারি প্রকল্পের গ্রিনসিটি আবাসিক ভবনের শয়নকক্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় মারা যান শাকিরভ আলেক্সেই।

আমিন ইসলাম জুয়েল/এসজে/এমএস