ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

অটোরিকশা ছিনতাইয়ের পর চালককে হত্যা, গ্রেফতার ৫

জেলা প্রতিনিধি | গাজীপুর | প্রকাশিত: ০৬:০৯ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের পর চালককে হত্যার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার ইলতুৎমিশ এ তথ্য জানান।

গ্রেফতাররা হলেন- আলমগীর (৩০), শামসুল (৩২), মো. হাফিজুর রহমান ওরফে টুকু (৩৬), আল মামুন সদার ওরফে আল আমিন (৩৫) ও রফিকুল ইসলাম (৩৪)।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি ঝালমুড়ি বিক্রেতা সাজে ছিনতাইকারীরা। নগরীর সালনায় রাতে চালক হুমায়ূন কবিরকে ঝালমুড়ির সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অটোরিকশাসহ নগরীর কোনাবাড়ির দিকে চলে যায় তারা।

একপর্যায়ে হুমায়ুন জ্ঞান হারালে তাকে কাশিমপুর লোহাকৈর এলাকার রাস্তায় ফেলে দিয়ে চলে যায় ছিনতাইকারীরা। পরে রাত ১২টার দিকে হুমায়ুনকে আবার দেখতে আসে তারা। হুমায়ুনকে লোহাকৈর এলাকায় একটি চায়ের দোকানে বসে থাকতে দেখে। রাতে দোকান বন্ধ হয়ে গেলে তারা হুমায়ুনকে কৌশলে পুকুরপাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে হুমায়ুনকে ধাক্কা দিয়ে পুকুরে ফেলে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।

jagonews24

১২ ফেব্রুয়ারি অটোরিকশাচালক হুমায়ূনের মরদেহ পুকুরে ভেসে উঠলে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পরে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুলিশ বিভিন্ন এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেফতার করে।

পুলিশের উপ-কমিশনার ইলতুৎমিশ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে। নিহত হুমায়ূন নগরীর দেশীপাড়া এলাকায় ভাড়া থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি রংপুর সদরের কাটাবাড়ি এলাকায়। গ্রেফতাররা অটোরিকশা ছিনতাইকারী। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত অটোরিকশা, ভিকটিমের মোবাইল, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সিএনজি, বিভিন্ন সময়ে লুণ্ঠিত বিভিন্ন ইজিবাইকের খণ্ডিত অংশ, ঝালমুড়ি বিক্রির উপকরণ, অটোরিকশার খোলায় ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্র ও রঙ করার উপকরণ উদ্ধার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রেজওয়ান আহমেদ, সহকারী কমিশনার মো. বেলাল হোসেন, রিপন চন্দ্র সরকার, কাশিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবে খোদা প্রমুখ।

মো. আমিনুল ইসলাম/এসজে/এএসএম