ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় মাকে ছুরিকাঘাত

নিজস্ব প্রতিবেদক | বগুড়া | প্রকাশিত: ০৪:৪৩ পিএম, ০৬ মার্চ ২০২২

বগুড়ার শেরপুরে মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় মাকে ছুরিকাঘাত করে রক্তাক্ত করেছে বখাটেরা। স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

শুক্রবার (৪ মার্চ) উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বেলগাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রোববার (৬ মার্চ) দুপুরে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

আহত নারীর নাম মোছা. ছকিনা বেগম (৪৫)। তিনি ওই গ্রামের সোলেমান আলীর স্ত্রী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, দুই বছর আগে সোলেমান আলীর মেয়ে শারনী আক্তারের সঙ্গে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার শেওলাগাড়ী গ্রামের নবির উদ্দিনের ছেলে সাগর হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না। এ কারণে চারমাস আগে তাদের বিচ্ছেদ হয়।

এরইমধ্যে শারনী আক্তারকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন পাশের সীমাবাড়ী ইউনিয়নের ধনকুণ্ডি উত্তরপাড়া গ্রামের এজাব আলীর ছেলে সুজন মিয়া। কিন্তু ছেলেটি বখাটে হওয়ায় বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে শারনী আক্তারের পরিবার। সেই সঙ্গে শারনী আক্তারের আগের স্বামীর সঙ্গেই আবারও বিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে বখাটে সুজন ও তার লোকজন।

শুক্রবার রাতে বেলগাড়ী গ্রামের মাজারে ওরস চলছিল। সেখানে শারনীর আগের স্বামী সাগর হোসেনকে ঘোরাঘুরি করতে দেখে তাকে আটকের জন্য ধাওয়া করেন বখাটে সুজনের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন যুবক। এসময় প্রাণ বাঁচাতে সাগর তার সাবেক শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন। কিন্তু সেখানেও হামলা চালায় বখাটেরা।

একপর্যায়ে সাগরকে বাঁচাতে তার সাবেক শাশুড়ি ছকিনা বেগম এগিয়ে এলে তার পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে পেটের নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে যায়। পরে বখাটেরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা ছুটে এসে গুরুতর আহত ছকিনা বেগমকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে।

জানতে চাইলে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনায় জড়িতদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলা করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

এসআর/জিকেএস