ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

খোলা আকাশে নিচে নষ্ট হচ্ছে আমদানি করা ১৩ হাজার টন সার

জেলা প্রতিনিধি | সিরাজগঞ্জ | প্রকাশিত: ১১:৩০ এএম, ১৬ মার্চ ২০২২

সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি নৌ-বন্দরে খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে ১৩ হাজার টন ইউরিয়া সার। বন্দরের গুদামে পর্যাপ্ত জায়গা ও শেড না থাকায় এ সমস্যা দেখা দিয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বন্দরের নাজুক অবকাঠামো, নেই শেড। শ্রমিকদের খাওয়ার পানির ব্যবস্থা নেই। গুদামে ধারণক্ষমতার চেয়ে জায়গা কম থাকায় সারগুলো বাইরে রেখেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। দিনের পর দিন খোলা আকাশের নিচে সারগুলো পড়ে থাকায় জমাট বেঁধে যাচ্ছে। এতে গুণগতমান নষ্ট হচ্ছে এসব সারের।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যমুনা নদীবেষ্টিত সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়ি বন্দর ব্যাবহার করে ইরি-বোরো মৌসুমে হাজার হাজার বস্তা ইউরিয়া সার উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলার বাফার গুদামে পাঠানো হয়। দ্বিতীয় শ্রেণির এ বন্দরটি ইজারা প্রদান বাবদ প্রতি বছর প্রায় দেড় কোটি টাকা রাজস্ব পায় সরকার। ৩৬ বছরে মাত্র একটি শেড নির্মাণ করা হয়েছে। 

সূত্র জানায়, বন্দরে ২৮ হাজার টন ইউরিয়া সার মজুত রয়েছে। এরমধ্যে দুটি গুদামে ১৫ হাজার টন ও বাকি ১৩ হাজার টন খোলা আকাশের নিচে রয়েছে।

sar1

বন্দর ইজারাদার আব্দুস সালাম ব্যাপারী বলেন, বন্দরে দুটি সারের গোডাউন রয়েছে। এ গোডাউনের ধারণক্ষমতা ১৫ হাজার টন। এ জন্য বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নিচে সার রাখতে হচ্ছে। বন্দরে যদি শেড নির্মাণ করে দেওয়া হয় তাহলে বাইরে রাখতে হয় না।

শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ মো. শামসুজ্জোহা বলেন, বন্দরটি দ্বিতীয় শ্রেণির হলেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। বন্দরে ইউরিয়া সার থেকে শুরু করে অন্যান্য পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এ বন্দরটি সেভাবে গুরুত্ব পায়নি

তিনি আরও জানান, বন্দরটির অবকাঠামো অবস্থা নাজুক। এখানে কোন শেড নাই। বাফার গুদামগুলো ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক কম। যে কারণে সারগুলো বাইরে রাখতে হচ্ছে। বন্দরটি প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করার পাশাপাশি সমস্যা সমাধানে বিআইডব্লিউটিএকে চিঠি দিয়েছিলাম। কিন্তু চিঠির কার্যকারিতা দেখা যায়নি।

আরএইচ/এমএস