মাসে ‘চাঁদা’ ১২০০, কুমিল্লায় সিএনজিচালকদের সড়ক অবরোধ
অবরোধে আটকা পড়েছে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন
কুমিল্লায় ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছে সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকরা।
বুধবার (১৬ মার্চ) সকাল সোয়া ৯টায় কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের কচুয়া চৌমুহনী এলাকায় বিক্ষোভ করেন তারা।
চালকদের অভিযোগ, কুমিল্লা নগরীতে প্রতিদিন হাজারের বেশি সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করে। এসব অটোরিকশা ট্রাফিক পুলিশের দেওয়া টোকেন ছাড়া চলাচল করতে পারে না। নগরীর সড়কগুলোতে চলাচল করতে মাসে ১২০০ টাকা চাঁদা দিতে হয় প্রত্যেক চালককে। চাহিদামতো চাঁদা না পেলে ট্রাফিক পুলিশ অটোরিকশা ধরে মামলা দিয়ে পুলিশ লাইনে রেখে দেয়। এ সমস্যা সমাধানে চালকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে পৌঁছে হয়রানি বন্ধের আশ্বাস দিলে চালকরা অবরোধ তুলে নেন। এতে সড়কে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।
তবে চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করে ট্রাফিক পরিদর্শক এমদাদুল হক জাগো নিউজকে বলেন, আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে নগরীর যানজট নিরসনে কান্দিরপাড়ের অটোরিকশা স্ট্যান্ডটি বন্ধ করতে হবে। কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ কারণে চালকরা আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগে তুলছে। তাছাড়া মাসিক টাকা আদায়ের বিষয়টিও সত্য নয়।

উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাবলু বলেন, অটোরিকশাচালক, মালিক ও পরিবহন শ্রমিকদের নিয়ে সন্ধ্যায় নগরীর টাউনহলে বসে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শুভাশিস ঘোষ বলেন, অটোরিকশা চালকদের আশ্বস্ত করেছি বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও যদি ট্রাফিক পুলিশ হয়রানি করে তাহলে পুলিশ সুপারকে অবহিত করতে। পরে তারা অবরোধ তুলে নেন।
জাহিদ পাটোয়ারী/আরএইচ/জেআইএম