ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ দালালের কারাদণ্ড

জেলা প্রতিনিধি | দিনাজপুর | প্রকাশিত: ০৩:৪৫ পিএম, ০১ এপ্রিল ২০২২

দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে ছয় দালালকে আটক করেছে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। পরে তাদের সাতদিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) রাতে দিনাজপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাথী দাস এ আদেশ দেন।

এরআগে সন্ধ্যায় দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে অবস্থানরত অবস্থায় ওই ছয় দালালকে আটক করা হয়।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-দিনাজপুর সদর উপজেলার মিস্ত্রিপাড়ার মো. মোস্তফার ছেলে শাহিন আলম (৩০), হাউজিং মোড়ের খলিলুর রহমানের ছেলে শিবলু হোসেন (২৫), শশরা হুগলীপাড়ার আমিনুল ইসলামের ছেলে শাহিন ইসলাম (২৩), গুঞ্জাবাড়ীর শহীদ উদ্দিনের ছেলে মঞ্জুরুল কাদির (৩৬), উপশহর ৬ নম্বর খেরপট্টি মহল্লার আব্দুল লতিফের ছেলে নুর নবী (২২) ও চিরিরবন্দর উপজেলার সরকারপাড়ার মৃত রিয়াজউদ্দিনের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৩৩)।

দিনাজপুর ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডিবি পুলিশ সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের রোগী ও তাদের স্বজনদের বিরক্ত করে আসছিলেন দালালরা। তারা রোগীদের স্বজনদের ভুল বুঝিয়ে হাসপাতালের বাইরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে নিয়ে যেতেন। এছাড়া হাসপাতালের দেওয়া ওষুধ সেবন করতে নিষেধ করে বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধ সেবন করতে পরামর্শ দিতেন। তারা রোগী ও তাদের স্বজনদের নানাভাবে প্রতারণা করে অর্থ আদায় করে আসছিলেন।

সম্প্রতি এক রোগী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। পরে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম বিষয়টি পুলিশ সুপারকে জানান। এরপর থেকে দালালদের আটকে কাজ শুরু করে ডিবি।

বৃহস্পতিবার হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে অবস্থানরত অবস্থায় ছয় দালালকে আটক করা হয়। পরে রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের প্রত্যেককে সাতদিন করে কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

এ ব্যাপারে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম বলেন, আগামীতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সুচিকিৎসার স্বার্থে হাসপাতালে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না।

এমদাদুল হক মিলন/এসআর/এএসএম