‘রমজান মাসে টিসিবির পণ্য যেন আল্লাহর রহমত’
লাইনে দাঁড়িয়ে টিসিবির পণ্য কিনছেন নিম্নআয়ের মানুষ
রোজার মাসে টিসিবির পণ্য যেন আল্লাহর রহমত। টিসিবির পণ্য কিনে মোটামুটি দুই থেকে আড়াইশো টাকা বেচে যাচ্ছে। সেই টাকায় সংসারের অন্য কাজ করা যাচ্ছে। এমন কাজের জন্য সরকারকে অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে চাই।
টিসিবির পণ্য হাতে পেয়ে চোখে-মুখে খুশি নিয়ে কথাগুলো বলেছিলেন দিনাজপুর সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফাজিলপুর ইউনিয়নের মহারাজপুর এলাকার জলিল উদ্দিন।

জলিল উদ্দিন একজন নিম্নআয়ের মানুষ। কম মূল্যে টিসিবির পণ্য কেনেন তিনি। শুধু জলিল উদ্দিনই নন, তার মতো ফাজিলপুর ইউনিয়নের দুই হাজার ৩৭৩ জন ভোক্তার কাছে টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে।
টিসিবির পণ্য পেয়ে মানিক ইসলাম বলেন, ‘আমার পরিবারে আটজন খাওয়ার মানুষ। টিসিবিতে চিনি, মসুর ডাল, সয়াবিন তেল, ছোলা বুট দেওয়া হচ্ছে। এই জিনিসগুলোই প্রতিদিন বেশি ব্যবহার হয়। বেশি ব্যবহৃত জিনিসগুলো এখানে কম দামে পাচ্ছি, এটা তো উপকার বটেই। যে টাকা বাঁচছে সে টাকা অন্য কোনো কাজে লাগছে।’

এ বিষয়ে দিনাজপুর সদর উপজেলার টিসিবির ডিলার মেসার্স কানাই লাল গুপ্তের স্বত্বাধিকারী কানাই লাল গুপ্ত বলেন, টিসিবির পণ্য বিক্রি করার সময় আমরা চেষ্টা করছি যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। ফাজিলপুর ইউনিয়নের রানীগঞ্জ, বালাপাড়া, ভাঙ্গির বাজার মিলে মোট তিনটি জায়গায় টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চলছে। এ ইউনিয়নে মোট দুই হাজার ৩৭৩ জন ভোক্তা টিসিবির পণ্য পাবেন।
টিসিবির প্রত্যেক ভোক্তা দুই কেজি চিনি, দুই কেজি মসুর ডাল, দুই লিটার সয়াবিন তেল ও দুই কেজি ছোলা কিনতে পারছেন। প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকা, মসুর ডাল ৬৫, ছোলা ৫০ ও সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এমদাদুল হক মিলন/এসআর/জেআইএম