ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ভৈরব সড়কে টোল আদায় বন্ধ করলেন মেয়র

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) | প্রকাশিত: ০৯:৩১ পিএম, ১৪ এপ্রিল ২০২২

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে সড়কে টোল আদায় বন্ধ ঘোষণা করেছেন মেয়র ইফতেখার হোসেন বেনু। টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র।

বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে কোনো রকম টোল ছাড়াই ছোট-বড় যানবাহনের মাধ্যমে বাজার থেকে মালামাল আনা-নেওয়া করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা।

মালামাল নিয়ে ভৈরব বাজারে প্রবেশ এবং বের হওয়ার পথে টোল না দিতে তিনদিন ধরে শহরজুড়ে মাইকিং করা হচ্ছে। এমন সিদ্ধান্তে প্রশংসায় ভাসছেন ভৈরব মেয়র।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি বছর ভৈরব বাজারে প্রবেশের প্রধান সড়কগুলো দিয়ে মালামাল আনা-নেওয়ার সময় ছোট-বড় যানবাহন থেকে ইজারার টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজি করা হতো। শুধু তাই নয়, পৌর বাস টারমিনাল ইজারা নিয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কে টোল আদায়ের নামে একটি প্রভাবশালী মহল চাঁদাবাজি করতো। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি বা সামান্য দেরি করলেই গালমন্দসহ হয়রানির শিকার হতেন ব্যবসায়ী ও যানবাহনের চালকরা।

দিন দিন টোল আদায়কারী লোকজনের অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ভৈরব থেকে মুখ ফিরেয়ে নিতে শুরু করেন আশপাশের লোকজনসহ দূর-দূরান্ত থেকে আসা ব্যবসায়ী ও পণ্যবাহী যানবাহন চালকরা। এতে শহরের ব্যবসা-বাণিজ্যে ভাটা পড়ে।

ভৈরব চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মো. হুমায়ুন কবীর জাগো নিউজকে বলেন, বন্দরনগরী হিসেবে প্রাচীনকাল থেকে ভৈরব খ্যাতি রয়েছে। এখানে দেশের বড় বড় শহরের লোকজন ব্যবসায়িক কাজে আসা-যাওয়া করেন। কিন্ত দীর্ঘ সময় ধরে পৌরসভার প্রবেশদ্বার সড়কে অবৈধভাবে টোল আদায় করার কারণে দিন দিন ভৈরবের ব্যবসা-বাণিজ্যে জৌলুস কমছে। মেয়রের সিদ্ধান্তকে আমি স্বাগত জানাই।

ভৈরব শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম বাকী বিল্লাহ বলেন, পৌর শহরের প্রবেশদ্বারে অবৈধভাবে দীর্ঘ সময় ধরে যানবাহন থেকে টোল আদায় করছে কিছু সুবিধাবাদী লোক। ফলে বাইরে থেকে আসা ব্যবসায়ীদের খরচ বেশি পড়ে যেতো। পৌরসভার নতুন সিদ্ধান্তের কারণে ব্যবসায়ীরা অনেকটা লাভবান হবেন।

জানতে চাইলে পৌর মেয়র ইফতেখার হোসেন বেনু বলেন, দেশের ঐতিহ্যবাহী বন্দরনগরী ভৈরবের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ইজারার ডাক বন্ধ করার কারণে গেলো বছরের তুলনায় এ বছর প্রায় দেড়কোটি টাকা নিজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হবে পৌরসভা। তারপরও আয়ের চিন্তা বাদ দিয়ে বৃহত্তর জনগোষ্ঠী ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এসআর/জেআইএম