দৌলতদিয়ায় ফেরি পেতে সময় লাগছে ৩ থেকে ৫ ঘণ্টা
সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাটে লম্বা হচ্ছে ঢাকামুখো যানবাহনের সারি। ফলে ফেরির নাগাল পেতে তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকছে যাত্রীবাহী পরিবহনগুলো।
শুক্রবার (৬ মে) বিকাল ৬টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়কের প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার যানবাহনের সিরিয়াল তৈরি হয়। এরমধ্যে কিছু পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক আর কয়েকশ ছোট গাড়ি রয়েছে।
এদিকে তীব্র গরমে দীর্ঘ সময় সিরিয়ালে থেকে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন যাত্রীরা। বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা।
অপরদিকে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘাটে ছোট গাড়ি ও মোটরসাইকেলের চাপ থাকলেও দুপুরের পর থেকে সেই চাপ কিছুটা কমেছে। ফেরির পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক যাত্রী লঞ্চে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে।
জনি ও সাকিব নামের ঢাকামুখো দুই যাত্রী বলেন, দুপুর আড়াটায় দৌলতদিয়ায় এসে সিরিয়ালে আটকা পড়ি। বিকাল পৌনে ৬টা পর্যন্ত ফেরিতে উঠতে পারিনি। গরমে গাড়িতে থাকতে না পেরে নিচে নেমে হাঁটাহাটি করছি। কখন ফেরি পাবো আর কখন বাসায় যাবো তা বলতে পারছি না।
বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা দেশ ট্রাভেলসের চালক হান্নান বলেন, দুপুর পৌনে ৩টা থেকে সিরিয়ালে আছি। এখন প্রায় ৬টা বাজে। কিন্তু ঘাট এখনও এক কিলোমিটার দূরে। গরমে যাত্রীরা অস্থির হয়ে পড়েছে।
তবে বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক শিহাব উদ্দিন বলেন, যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে ২১ ফেরি চলাচল করছে। দুপুরের পর যাত্রীবাহি যানবাহনের চাপ বাড়লেও অল্প সময়ে যানবাহন ফেরিতে উঠতে পারছে। কোনো চাপ নেই দৌলতদিয়ায়।
রুবেলুর রহমান/এএইচ/এমএস