পাকা সড়কে একমাস ধরে জমে আছে পানি
এক মাস ধরে জমে আছে এ পানি
বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর-মহিশুরা পাকা সড়কে পানি জমে ডোবায় পরিণত হয়েছে। নেই পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা। ফলে একমাস ধরে জমে থাকা দুর্গন্ধযুক্ত পানিতেই চলাচল করতে হচ্ছে যানবাহন ও মানুষকে। এতে দিন দিন ভেঙেই চলেছে সড়ক।
বারবার আশ্বাসের কথা শোনা গেলেও এ ভোগান্তি থেকে রেহাই মিলছে না। এখন এটাকে অনেকটা নিয়তি দুর্ভোগ হিসেবেই মেনে নিচ্ছেন প্রায় অর্ধলাখ মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক যুগ আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে সড়কটি পাকা করা হয়েছে। উপজেলার মথুরাপুর ও গোপালনগর ইউনিয়নবাসীর যোগাযোগের একমাত্র সড়ক এটি। দীর্ঘদিন ধরে ভারী যানবাহন চালাচল করায় পুরো সড়কটি ভগ্নদশায় পরিণত হয়েছে। বৃষ্টিতে এ সড়কের ধেরুয়াহাটি গ্রামের অংশে ৫০ মিটারের বেশি জায়গা জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
'
পাকা সড়কের ওপর প্রায় এক মাস ধরে জমে আছে নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি। যাতায়াত করতে হলে এই পানি এড়ানোর কোনো উপায় নেই। এ পথ দিয়ে যাতায়াতকারী প্রায় অর্ধলাখ মানুষ প্রতিনিয়ত পড়ছেন দুর্ভোগে। সড়কটি এমনিতেই নিচু। আবার সড়কের দু’ধারে মাটি ভরাট ও বসতবাড়ি নির্মাণ করায় সড়কটি আরও নিচু হয়ে গেছে। নিষ্কাশনের পথ না থাকায় পাকা সড়কে পানি জমে থাকছে।
কথা হয় স্থানীয় অটো রিকশাচালক বছির উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি জানান, এটা তো সড়ক নয়, ডোবা। এখনো তেমন বৃষ্টি হয়। এর মধ্যেই এখানে প্রায় হাঁটু সমান পানি। মাঝেমধ্যে গর্তে রিকশা উল্টে যায়। তবু কেউ সড়কটি ঠিক করছেন না।

স্থানীয় ব্যবসায়ী বাবুল ইসলাম বলেন, ‘এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার মানুষ চলাফেরা করে থাকেন। এমন অবস্থা হয়েছে যে বোঝার উপায় নেই সড়কটি কখনো পাকা করা হয়েছিল। বর্তমানে সড়কটি চলাচলের অযোগ্য। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।’
উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসান আহম্মেদ জেমস মল্লিক জাগো নিউজকে বলেন, সড়কে জলাবদ্ধতার বিষয়টি জানা আছে। লোকজন জলাবদ্ধতার কারণে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। উপজেলা প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ধুনট উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন জাগো নিউজকে বলেন, পাকা সড়কে সমস্যার বিষয়টি এলাকাবাসী আমাকে জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসজে/জিকেএস