ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ঘরে ঢুকে চেয়ারম্যানের ছেলেকে হত্যা, ১৩ দিন পর মামলা

জেলা প্রতিনিধি | ফরিদপুর | প্রকাশিত: ০৮:১৪ পিএম, ০১ জুন ২০২২

ফরিদপুরের সদরপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার ১৩ দিন পর মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মে) দিনগত রাতে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন নিহতের বাবা মিজানুর রহমান বয়াতি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঢেউখালী ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বয়াতির সঙ্গে একই এলাকার মোস্তফা মৃধার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে বিভিন্ন সময় চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। সম্প্রতি পারিবারিক কলহ নিয়ে এরশাদ শেখ ও তার স্ত্রীকে নিয়ে সালিশ বৈঠক করেন চেয়ারম্যান। সে সালিশে এরশাদ শেখকে জরিমানা করা হয়। বৈঠকের রায় নিয়ে চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বয়াতির ওপর ক্ষিপ্ত হন এরশাদ শেখ। ১৮ মে মোস্তফা মৃধাসহ আসামিরা চেয়ারম্যানের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ২ নম্বর আসামি নাজমুল ইসলাম বাবু মোল্লা ১৬ মে দুপুরে চেয়ারম্যানকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বলেন, চেয়ারম্যান হলেই সব বিষয়ে নাক গলাতে নেই। আপনাকে শায়েস্তা করতে চার কোটি টাকা রেখেছি।

মামলার আসামিরা হলেন- মোস্তফা মৃধা (৫০), নাজমুল ইসলাম বাবু মোল্লা (৪২), এরশাদ মোল্লা (৩৮), ইমরান মোল্লা (৩০), রাকিব মোল্লা (২৪), রুহুল আমিন (রিপন) মোল্লা (৫৩), আলমগীর হোসেন (৪০), রবিউল মোল্লা (২৫) ও সামেলা বেগম (৫৮)। এর মধ্যে এরশাদ মোল্লা আত্মহত্যা করেন।

ঢেউখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বয়াতি বলেন, রাজনৈতিক বিরোধের কারণে আসামিরা আমাকেসহ পুরো পরিবারকে শেষ করে দিতে চেয়েছিল। আমি ঘটনার সময় ঢাকায় অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যাই।

সদরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কৃষ্ণ কুমার জাগো নিউজকে বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এন কে বি নয়ন/আরএইচ/জিকেএস