ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

দু’দিনেও হয়নি ভাঙা বাঁধের মেরামত, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

জেলা প্রতিনিধি | সাতক্ষীরা | প্রকাশিত: ০৪:১৩ পিএম, ১৬ জুলাই ২০২২

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার দুর্গাবাটিতে খোলপেটুয়া নদীর ভাঙা বাঁধ এখনো মেরামত করা যায়নি। ফলে শনিবার (১৬ জুলাই) নতুন করে আরও ছয়টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ নিয়ে মোট ১০ গ্রামের প্রায় চার হাজার পরিবার পানিবন্দি রয়েছেন। ভেসে গেছে কয়েক হাজার বিঘা জমির চিংড়ি ঘের। পানি উঠেছে ঘরবাড়িতেও। ভেঙে পড়েছে কিছু কাঁচা ঘর।

পানি ওঠায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে টয়লেট, টিউবওয়েল। এরই মধ্যে খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

satkhira1

বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) রাত ১২টার দিকে প্রবল জোয়ারের চাপে পশ্চিম দুর্গাবাটির প্রায় দেড়শ ফুট জীর্ণশীর্ণ বেড়িবাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। শনিবার (১৬ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত ভাঙনকবলিত বেড়িবাঁধ সংস্কার সম্ভব হয়নি। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যেমন বাড়ছে, তেমনি সীমাহীন দুর্ভোগে পড়ছে উপকূলের মানুষ।

শ্যামনগরের উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউল হক দোলন জাগো নিউজকে বলেন, শনিবার দুপুরের ভাটিতেও ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধটি মেরামত করা যায়নি। আজ জোয়ারের পানি গতকালের চেয়ে অনেক বেশি। এখন জোয়ার শুরু হয়েছে। রাতের জোয়ারে পানি আরও বাড়বে। ফলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছি। এলাকার মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধটি সংস্কারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।’

satkhira1

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল খায়ের জাগো নিউজকে বলেন, বস্তা, দড়ি, বাঁশ ও পেরেকসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। প্রায় ৬০০ ফুট এলাকায় পাইলিংয়ের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমানে তীব্র জোয়ারের কারণে কাজ করা যাচ্ছে না।

ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, ভাঙনকবলিত বাঁধ মেরামতের চেষ্টা চলছে। সাময়িক সংস্কারের পর স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে দ্রুত কাজ শুরু হবে। বর্তমানে দুর্যোগ কবলিত মানুষের সুপেয় খাবার পানির সংকট নিরসনে ভ্রাম্যমাণ রিভার্স অসমোসিস প্ল্যান্ট চালু করা হয়েছে। এছাড়া পানিবন্দি পরিবারকে জরুরি খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

আহসানুর রহমান রাজীব/এসজে/এমএস