‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন হলে ৮০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে’
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স গ্রহণের প্রস্তাবনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি (নাসিব)।
সোমবার (১ আগস্ট) সকালে নাসিব কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ উদ্বেগের কথা জানানো হয়।
এসময় বক্তারা বলেন, সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করে নতুন কিছু ধারা যুক্ত করেছে যা নিম্ন আয়ের খুচরা বিক্রেতা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দৈনন্দিন জীবিকা নির্বাহে হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। এটি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যবসায়িক কার্যকলাপে অনিশ্চিত অবস্থা সৃষ্টি করবে। যার প্রভাব প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জাতীয় অর্থনীতিতে পড়বে বলে মনে করছেন তারা।

জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি শেখ ফরিদ আহম্মদের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দৈনিক শতাব্দীর কণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক আহমেদ উল্লাহ। বক্তব্য দেন- জেলা পোল্ট্রি ফিড ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি এ কে এম শামসুল ইসলাম খান মাসুম, জেলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মজিবুর রহমান বেলাল, সহ-সভাপতি ইকবাল আহমেদ চৌধুরী অপু ও জেলা নাসিবের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলাউদ্দিন।
এসময় বক্তারা আরও বলেন, প্রস্তাবিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়িত হলে দেশে এ খাতের সঙ্গে জড়িত ১৫ লাখ প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ ৮০ লাখ নিম্নআয়ের মানুষের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
নূর মোহাম্মদ/এমআরআর/জিকেএস