ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ডিবি পরিচয়ে কসাইয়ের সঙ্গে প্রতারণা, প্রতারক গ্রেফতার

জেলা প্রতিনিধি | পাবনা | প্রকাশিত: ০৭:৫৯ পিএম, ০৪ আগস্ট ২০২২

ডিবি পুলিশ পরিচয়ে কসাইয়ের কাছ থেকে ২৫ কেজি খাসির মাংস নিয়ে চম্পট দেওয়া প্রতারককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই ব্যক্তির নাম আফজাল মিনহাজ সংগ্রাম (৫২)।

বুধবার (৩ আগস্ট) রাতে নাটোরের লালপুর থানার ধুপইল গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আফজাল মিনহাজ নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার চন্ডীপুর গ্রামের এরশাদ আলী মন্ডলের ছেলে।

ডিবি পরিচয়ে কসাইয়ের সঙ্গে প্রতারণা, প্রতারক গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয় ।

পাবনার পুলিশ সুপার (এসপি) মহিবুল ইসলাম খান জানান, রোববার (৩১ জুলাই) সুজানগর উপজেলার চরসুজানগর এলাকার বাসিন্দা কসাই বিল্লাল হোসেনের বাড়ি গিয়ে আফজাল নিজেকে ডিবি পুলিশের লোক বলে পরিচয় দেন। সঙ্গে থাকা তার ছবিসহ ডিবি পুলিশের কথিত পরিচয়পত্রও দেখান। তার গায়ে ডিবির ইউনিফর্ম ও সঙ্গে হাতকড়াও ছিল। এরপর জানান, একটি অনুষ্ঠানের জন্য ‘পাবনার পুলিশ সুপার স্যার’ খাসির মাংস নিতে তাকে পাঠিয়েছেন।

এ সময় ৯০০ টাকা কেজি দরে মাংসের দরদাম ঠিক করেন। কসাই তার বাড়িতে থাকা একটি খাসি জবাই করেন। এরপর ২৫ কেজি মাংস প্রস্তুত করে তাকে দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি টাকা না দিয়ে বলেন ‘এসপি স্যার’ পাবনা অফিস থেকে দেবেন।

এ কথা বলার পর বিল্লাল কসাই তার সহযোগী কসাই আব্দুল জলিলকে ওই ব্যক্তির মোটরসাইকেলে পাঠান। মোটরসাইকেলযোগে তারা পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় পৌঁছালে ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয় দানকারী প্রতারক কৌশলে জলিলকে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে দেন। তাকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রেখে বলেন ‘এসপি স্যারের’ কাছ থেকে টাকা এনে দিচ্ছি।

ডিবি পরিচয়ে কসাইয়ের সঙ্গে প্রতারণা, প্রতারক গ্রেফতার

এরপর সন্ধ্যা পর্যন্ত তার আর কোনো খোঁজ পাননি জলিল। তিনি শেষ পর্যন্ত খালি হাতে বাড়ি ফিরে যান। প্রতারণার শিকার কসাই বিল্লাল হোসেন বিষয়টি সুজানগর থানা পুলিশকে লিখিতভাবে জানান।

এসপি আরও বলেন, পরে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম এবং জিন্নাহ আল মামুনের নেতৃত্বে পাবনা ডিবি পুলিশ এবং সুজানগর থানা পুলিশ যৌথ অভিযানে যায়। নাটোরের লালপুর উপজেলার ধুপইল গ্রাম থেকে অভিযুক্ত আফজাল মিনহাজ সংগ্রামকে গ্রেফতার করেন তারা।

পরে তার কাছ থেকে ‘ডিবি, পাবনা’ লেখা একটি জ্যাকেট/কটি, এক জোড়া হাতকড়া, একটি আরটিআর মোটরসাইকেল, একটি পুলিশের আইডি কার্ড ও একটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

পুলিশ সুপার মহিবুল জানান, গ্রেফতার আফজাল পাবনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় এমন অনেক প্রতারণার ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় পুলিশ, ডিবি, র্যাব পরিচয়ে প্রতারণার আটটিসহ মোট ৯টি মামলা রয়েছে।

আমিন ইসলাম জুয়েল/এসআর/জেআইএম