ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

আখাউড়া স্থলবন্দর

বিএসএফের বাধায় বন্ধ যাত্রী পারাপার, বিজিবির হস্তক্ষেপে চালু

জেলা প্রতিনিধি | ব্রাহ্মণবাড়িয়া | প্রকাশিত: ০৯:২২ পিএম, ১৬ নভেম্বর ২০২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে হুট করে যাত্রী পারাপার বন্ধ করে দেয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বুধবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। পরে বিজিবির প্রতিবাদের মুখে ২০ মিনিটের মধ্যেই আবার যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক হয়।

এর আগে, বিএসএফের বাধার মুখে মঙ্গলবার বন্দরের ইমিগ্রেশন ভবনে যাওয়ার রাস্তা ও এর পাশের যাত্রী শৌচাগারের সংস্কার কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে, রাস্তা সংস্কার বন্ধ থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। একইসঙ্গে শৌচাগার ব্যবহার করতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা। তবে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মেরামত কাজটি সীমান্তের প্রায় শূন্যরেখায় হচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোনো স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা সাপেক্ষে অনুমতি নিতে হয়। তবে রাস্তা ও শৌচাগার অনেক আগে থেকেই ছিল। ব্যবহার অনুপযোগী হওয়ায় গণপূর্ত বিভাগ সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। গত ১১ নভেম্বর থেকে এই সংস্কার কাজ শুরু হয়। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিএসএফ আপত্তি জানালে কাজ বন্ধ রাখা হয়।

এদিকে, বুধবার দুপুরে হঠাৎ বিএসএফ সীমান্তের শূন্যরেখায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে যাত্রী পারাপার বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে ইমিগ্রেশনের নতুন ভবন নির্মাণেও আপত্তি জানায় বিএসএফ। তাদের আপত্তির মুখে নকশা পরিবর্তন করা হয়। সেই ভবন নির্মাণ কাজ এখনো নানা জটিলতায় বন্ধ রয়েছে।

এ বিষয়ে আখাউড়া স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক স্বপন চন্দ্র দাস বলেন, সংস্কার কাজে বিএসএফ আপত্তি দিয়েছে বলে বিজিবি এসে জানায়। এরপর কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। বিজিবির পক্ষ থেকে সেখানে লাল নিশান দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বুধবার কয়েক মিনিটের জন্য যাত্রী পারাপারে সমস্যা দেখা দেয়।

এ বিষয়ে বিজিবি ৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক হাসান উল্লাহ বলেন, বিএসএফ হুট করে যাত্রী পারাপার বন্ধ করে দেয়। বিষয়টি আমরা তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাই। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিষয়টি সমাধান হয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তের শুন্যরেখায় ১৫০ গজের মধ্যে কোনো স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা সাপেক্ষে অনুমতি নিতে হয়।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এমআরআর/এএসএম