ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ছাত্রদল নেতা নয়নের মরদেহের প্রতীক্ষায় স্বজনরা, রাতে দাফন

জেলা প্রতিনিধি | ব্রাহ্মণবাড়িয়া | প্রকাশিত: ০৯:২১ পিএম, ২০ নভেম্বর ২০২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ছাত্রদল নেতা নয়ন মিয়ার (২২) মরদেহের প্রতীক্ষায় স্বজনরা। তার বাবা, মা ও স্ত্রীর আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। তাকে একনজর দেখতে বাড়িতে ভিড় করেছেন দলীয় নেতাকর্মীরাও।

রোববার (২০ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে তার ময়নাতদন্ত শেষ হয়। রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে নয়নের মরদেহ নিয়ে রওয়ানা দিয়েছেন তার মামা বেদন মিয়া। রাতে তার দ্বিতীয় জানাজা শেষে দাফন হবে। নিহত নয়ন উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছিলেন।

নয়নের বাবা রহমত উল্লাহ বলেন, ‘বিএনপির যত নেতাকর্মী আছে তারা সবাই আমার ছেলে। আমার ছেলেকে পুলিশ গুলি করে নাড়িভুঁড়ি বের করে ফেলছে। একেবারে জীবন শেষ করে দিয়েছে। সারাবিশ্বে বিএনপির যত নেতাকর্মী আছে তাদের কাছে বিচার চাই, তারা যেন আমার ছেলে হত্যার বিচার করে।’

নিহত নয়নের স্ত্রী সানজিদা আক্তার বলেন, ‘আমাকে বিএনপির মিটিংয়ে যাবে বলে বের হয়ে যাচ্ছিলেন তিনি (নয়ন)। এ সময় ছেলে কান্নাকাটি করছিল। তখন তিনি বলেছিলেন মজা নিয়ে আসবো আব্বু। বের হয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর ফোন আসে, তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আমি স্বামীহারা হয়েছি, আমার সন্তান পিতাহারা হয়েছে। আমি এ হত্যার বিচার চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রপতির কাছে বিচার চাই। আপনারা কি পারবেন আমার স্বামীকে এনে দিতে, আমার সন্তানের পিতাকে এনে দিতে? আমার সন্তানের বাবাকে যে মারছে, তার মায়ের বুক খালি করতে চাই।’

শনিবার বিকেলে কুমিল্লা বিভাগীয় গণসমাবেশের লিফলেট বিতরণকালে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ঞয়। এ সময় উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. নয়ন মিয়া গুলিবিদ্ধ হন । উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন বাঞ্ছারামপুর পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ইমান আলী। পাশাপাশি ছয়জন পুলিশ সদস্যও আহত হওয়ার দাবি করা হয়।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এসজে/জিকেএস