ফাঁকা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে বলা হয় বাংলাদেশের অর্থনীতির লাইফলাইন। প্রতিদিন এ মহাসড়ক দিয়ে ১৭টি জেলার হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে।
তবে ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক যানবাহনগুলো মহাসড়কে কম চলাচল করতে দেখা গেছে। এর ফলে জরুরি কাজে রাস্তায় বের হওয়া লোকজন ভোগান্তিতে পড়েন।
এদিকে, বেলার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মহাসড়কে যানবাহনের কোনো চাপ নেই বললেই চলে। পাশাপাশি যাত্রীদের আনাগোনাও কমে গেছে। ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এখন একদমই ফাঁকা।
শনিবার দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল, মৌচাক, সাইনবোর্ড পয়েন্টে সরেজমিনে এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।
কিছুক্ষণ পর পর কিছু যানবাহনকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যেতে দেখা যায়। তবে তা অন্যদিনের তুলনায় খুবই কম। ধারণা করা হচ্ছে, বিকেলের পর থেকে যানবাহন ও যাত্রীর চাপ বাড়বে।
কাঁচপুর হাইওয়ে থানার শিমরাইল ক্যাম্পের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) এ কে এম শরফুদ্দীন বলেন, আমরা গত তিনদিন ধরেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছি। তবে গত কয়েকদিন যানবাহনের চাপ থাকলেও আজ সকাল থেকে যানবাহনের চাপ খুবই কম।
কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম বলেন, সকাল থেকেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। যাত্রী কম থাকায় হয়তো যানবাহন কম রয়েছে।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান বলেন, সকাল থেকে সড়কে গাড়ির চাপ কম। বিকেলের দিকে হয়তো চাপ বাড়তে পারে।
তিনি আরও বলেন, আমরা কাউকে কোথাও যেতে বাধা দিচ্ছি না। সন্দেহ হলে আমরা তাকে তল্লাশি করে ছেড়ে দিচ্ছি। এ পর্যন্ত আমরা তল্লাশি করে সন্দেহভাজন ছয়জনকে আটক করেছি।
রাশেদুল ইসলাম রাজু/এমআরআর/এএসএম