ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ময়মনসিংহে পৌঁছেছে প্রাথমিকে ৩৪, মাধ্যমিকের ৫০ শতাংশ নতুন বই

জেলা প্রতিনিধি | ময়মনসিংহ | প্রকাশিত: ০৭:৫৭ পিএম, ৩১ ডিসেম্বর ২০২২

নতুন বছরের প্রথম দিন একযোগে সারাদেশে বই বিতরণ করা হবে। তবে প্রত্যাশিত নতুন বই এখনো পৌঁছায়নি ময়মনসিংহে। বইয়ের ছাপার মান নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৫ জন প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষার্থী আছে। প্রত্যেকের জন্য বই ও খাতা পৌঁছানো হয়েছে স্কুলগুলোতে।

জেলায় মোট প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৪ হাজার ৭১৯টি। এতে মোট শিক্ষার্থী সাত লাখ ৩৩ হাজার ৪৪০ জন। নতুন বইয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩৭ লাখ ৭২ হাজার। এরমধ্যে ১৩ লাখ ৯৬ হাজার বই এসেছে। শতকরা হিসেবে সাড়ে ৩৪.৭২ শতাংশ।

জেলায় মাধ্যমিকে ৯৯৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। এর মধ্যে ৩৮৬টি মাদরাসা এবং ৬১২টি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রায় আড়াই লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭৮ লাখ বই বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা আছে। তবে ৫০ শতাংশ বই পৌঁছানো হয়েছে।

সেহড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লোপা কর্মকার বলেন, এ সময়ে অন্য বছর আমরা অধিকাংশ বই হাতে পেয়ে যাই। এ বছর একটু ব্যতিক্রম হয়েছে। এখনো কাঙ্ক্ষিত বই পাইনি। বইয়ের ছাপার মানও কিছুটা নিম্নমানের।

নওমহল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অর্চনা দত্ত বলেন, চাহিদা অনুযায়ী বই না পাওয়ায় উৎসবে কিছুটা ভাটা পড়বে। এরপরও আমরা চেষ্টা করছি অন্য বছরের ন্যায় উৎসব করার জন্য।

জ্ঞানদীপ মডেল একাডেমির প্রধান শিক্ষক তোফায়েল আলম বলেন, প্রত্যেক শ্রেণির দু-একটা বিষয়ের বই আমরা হাতে পেয়েছি। এতে ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীরা মন খারাপ করে বাড়ি ফিরবে। বইয়ের মলাট ও ভেতরের পাতাগুলোও নিম্নমানের ছাপানো হয়েছে। কিছুদিন গেলেই নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমরা চাই দ্রুত সব বই দেওয়া হোক।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিউল হক বলেন, বই উৎসবের জন্য সারাদেশের ন্যায় আমরাও প্রস্তুতি নিচ্ছি। এরই মধ্যে প্রত্যেক বিদ্যালয়ে বই বণ্টন করা হচ্ছে। নিম্নমানের বই ছাপার বিষয়ে এখনো জানি না। মাঠ পর্যায়ে শিক্ষা কর্মকর্তারা আছেন, তারা বিষয়টি দেখে ত্রুটি পেলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানাবেন।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, বই উৎসবকে সামনে রেখে ৫০ শতাংশ বই আমরা পেয়েছি। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের আগেই বাকি বইগুলো পেয়ে যাবো। আমরা উৎসবের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।

আনন্দমোহন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ নারায়ণ চন্দ্র ভৌমিক বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ বই না পাওয়া এবং বইয়ের গুণগত মান খারাপ হয়ে থাকলে শিক্ষার্থীরা প্রথমেই একটা বড় ধাক্কা খাবে। বইয়ের প্রতি শিক্ষার্থীর মনোনিবেশ ঘটাতে সময় লাগবে।

মঞ্জুরুল ইমলাম/এসজে/জিকে এস