ইজতেমা ময়দানে কোন জেলার মুসল্লিদের কোথায় অবস্থান
৫৬তম ইজতেমা শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে শুরু হয়েছে আম বয়ানের মধ্য দিয়ে। ইজতেমায় শৃঙ্খলা আনতে এবার পুরো ময়দানকে ৯১টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। একেকটি ভাগকে বলা হয় ‘খিত্তা’। জেলা ওয়ারী এসব খিত্তায় মুসল্লিরা অবস্থান নিয়েছেন।
এবার প্রথম পর্বের ইজতেমায় আসা মুসল্লিরা যেসব খিত্তায় অবস্থান করবেন তা হলো- গাজীপুর (খিত্তা-১), টঙ্গী (খিত্তা-২,৩ ও ৪), ঢাকা (খিত্তা-৫ থেকে ১৮ ও ২১, ২২, ২৫, ২৭, ২৮, ৩০), রাজশাহী (খিত্তা-১৯), চাঁপাইনবাবগঞ্জ (খিত্তা-২০), নাটোর (খিত্তা-২৩), নওগাঁ (খিত্তা-২৪), নড়াইল (খিত্তা-২৬), সিরাজগঞ্জ (খিত্তা-২৯), টাঙ্গাইল (খিত্তা-৩১) ও রংপুর (খিত্তা-৩২)।
আরও পড়ুন: আম বয়ানের মধ্যদিয়ে বিশ্ব ইজতেমা শুরু
অন্য জেলাগুলোর মধ্যে গাইবান্ধা (খিত্তা-৩৩), লালমনিরহাট (খিত্তা-৩৪), মুন্সিগঞ্জ (খিত্তা-৩৫), যশোর (খিত্তা-৩৬), নীলফামারী (খিত্তা-৩৭), বগুড়া (খিত্তা-৩৮), জয়পুরহাট (খিত্তা-৩৯), নারায়ণগঞ্জ (খিত্তা-৪০), ফরিদপুর (খিত্তা-৪১), ভোলা (খিত্তা-৪২), নরসিংদি (খিত্তা-৪৩), সাতক্ষীরা (খিত্তা-৪৪), বাগেরহাট (খিত্তা-৪৫), কুষ্টিয়া (খিত্তা-৪৬), মেহেরপুর (খিত্তা-৪৭), চুয়াডাঙ্গা (খিত্তা-৪৮), ময়মনসিংহ (খিত্তা-৪৯, ৫১), শেরপুর (খিত্তা-৫০), জামালপুর (খিত্তা-৫২), গোপালগঞ্জ (খিত্তা-৫৩), কিশোরগঞ্জ (খিত্তা-৫৪), নেত্রকোনা (খিত্তা-৫৫), ঝালকাঠি (খিত্তা-৫৬), বান্দরবন (খিত্তা-৫৭) রয়েছে নিজ নিজ অবস্থানে।
এ পর্বে আরও রয়েছে বরিশাল (খিত্তা-৫৮), পিরোজপুর (খিত্তা-৫৯), হবিগঞ্জ (খিত্তা-৬০), কক্সবাজার (খিত্তা-৬১), সিলেট (খিত্তা-৬২), সুনামগঞ্জ (খিত্তা-৬৩), ফেনী (খিত্তা-৬৪), নোয়াখালী (খিত্তা-৬৫), লক্ষ্মীপুর (খিত্তা-৬৬), চাঁদপুর (খিত্তা-৬৭), ব্রাহ্মণবাড়িয়া (খিত্তা-৬৮), খুলনা (খিত্তা-৬৯), পটুয়াখালী (খিত্তা-৭০), বরগুনা (খিত্তা-৭১), চট্টগ্রাম (খিত্তা-৭৪), কুমিল্লা (খিত্তা-৭৫), তুরাগ নদের পশ্চিমপাড় কাঁচাবাজারে মৌলভীবাজার (খিত্তা-৭৬), রাজবাড়ী (খিত্তা-৭৭), মাদারীপুর (খিত্তা-৭৮), শরীয়তপুর (খিত্তা-৭৯), মানিকগঞ্জ (খিত্তা-৮০, সাফা টাওয়ার), রাঙ্গামাটি (খিত্তা-৮১), খাগড়াছড়ি (খিত্তা-৮২), দিনাজপুর (খিত্তা-৮৩), পাবনা (খিত্তা-৮৪), ঠাকুরগাঁও (খিত্তা-৮৫), ঝিনাইদাহ (খিত্তা-৮৭, যমুনা প্লট), মাগুরা (খিত্তা-৮৮, যমুনা প্লট), কুড়িগ্রাম (খিত্তা-৮৯, কামারপাড়া বেড়ীবাঁধ বঙ্গবন্ধু মাঠ) ও পঞ্চগড় (খিত্তা-৯০, কামারপাড়া হাইস্কুল মাঠ-বধির স্কুল ভবন)।
আরও পড়ুন: যেভাবে বাংলাদেশে বিশ্ব ইজতেমা শুরু হলো
এছাড়া ময়দানের চারপাশে ১১ ও ১২ নম্বর খিত্তার কিয়দংশ, ৩২ ও ৩৭ নম্বর খিত্তার মাঝামাঝি ১২, ৭২, ৭৩, ৮৬ ও ৯১ নম্বর খিত্তাগুলো সংরক্ষিত হিসেবে রাখা হয়েছে।
বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছেন বিশ্ব ইজতেমা আয়োজক কমিটির শীর্ষ মুরুব্বি ডা. কাজী শাহাবুদ্দিন।
আম বয়ানের মধ্যদিয়ে তুরাগ নদীর তীরে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) বাদ ফজর বয়ান শুরু করেন পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক।
আরও পড়ুন: বিশ্ব ইজতেমায় গাড়ি পার্কিং ও বিমানবন্দরগামীদের জন্য নির্দেশনা
আয়োজক সূত্র জানায়, উর্দুতে আম বয়ান শুরু হয়। এ বয়ান বাংলাসহ কয়েকটি ভাষায় অনুবাদ করে শুনানো হয়। এরপর বাদ জুমা বয়ান করবেন মাওলানা ইসমাইল গুদর, বাদ আসর মাওলানা জুবায়ের আহমদ ও বাদ মাগরিব মাওলানা আহমদ লাট বয়ান করবেন। এসব বয়ানের বাংলা অনুবাদ করবেন বাংলাদেশের মাওলানা ওমর ফারুক।
মো. আমিনুল ইসলাম/এমএইচআর/এমএস